kalerkantho

রবিবার । ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১০ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৮ সফর ১৪৪৪

স্মরণসভায় বক্তারা

মুহিতকে অনুসরণ করবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম

আবদুল মুহিত মোট ১১ বার, এর মধ্যে টানা ৯ বার জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেছিলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মুহিতকে অনুসরণ করবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম

রাজধানীর শেরাটন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে গতকাল সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত স্মরণসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন। ছবি : কালের কণ্ঠ

ভঙ্গুর অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার ব্রত নিয়ে তাঁর জীবন মানুষের কাজে লাগিয়ে গেছেন প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম অনুসরণ করবে তাঁকে। কেননা তাঁর মূল চিন্তাই ছিল বাংলাদেশ। আবুল মাল আবদুল মুহিতের স্মরণসভায় বক্তারা এ কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

গতকাল বুধবার রাজধানীর শেরাটন হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে এই স্মরণসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনে আমি তাঁকে চাচা বলে ডাকতাম। কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা চলে যাওয়ার পরেও সেলিব্রেট করতে হয়। আবুল মাল আবদুল মুহিতও তেমন একজন। তাঁকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম অনুসরণ করবে। ’

স্পিকার আরো বলেন, মুহিত মোট ১১ বার, এর মধ্যে টানা ৯ বার জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করেছিলেন। এখন জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন চলছে, তবে আজ তিনি নেই। আমরা তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। যুক্তিসংগত প্রস্তাব ও নীতি তিনি গ্রহণ করতেন। তাঁর গভীর প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা ছিল। তিনি সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। সে কারণেই তিনি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে পেরেছিলেন।

এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, মুহিত ভাই ১৯৯৯ সালের দিকে দেশ নিয়ে হতাশায় ছিলেন। ওই সময় ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তারপর ২০০১ সাল থেকে তিনি দেশের জন্য কাজ শুরু করেন। দেশের কিভাবে উন্নয়ন করা যায়, সেই চিন্তা শুরু করেন। দেশের ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটা নিয়ে কৌশল প্রণয়নে যুক্ত ছিলেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, মুহিত ভাইয়ের জ্ঞানের পরিধি ছিল বিশাল। ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্যও তাঁর বিশেষ অবদান ছিল। পুরো জাতি তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ।

ইমরান আহমেদ বলেন, ‘আমরা সময় নষ্ট করে ফেলি। তবে তিনি দীর্ঘ জীবন মানুষের জন্য কাজে লাগিয়ে গেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি বিশেষ অবদান রেখেছেন। তাঁর মূল চিন্তাই ছিল বাংলাদেশ। আর তিনি ছিলেন স্বাধীনতার পক্ষে। ’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মুবিন খান। এতে আরো বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. আনোয়ার হোসেন খান, বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর শিকদার, আবুল মাল আবদুল মুহিতের বোন ড. শায়লা খাতুন প্রমুখ।

আবুল মাল আবদুল মুহিত গত ২৯ এপ্রিল দিবাগত রাতে ৮৮ বছর বয়সে মারা যান।

 



সাতদিনের সেরা