kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ আগস্ট ২০২২ । ৪ ভাদ্র ১৪২৯ । ২০ মহররম ১৪৪৪

ইমোতে সুন্দরী নারীর ছবি দিয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩

♦ লাখ লাখ টাকা হারাচ্ছেন প্রবাসীরা
♦ চক্রের একেকজনের আয় ১৫-২০ লাখ টাকা
♦ চক্রে মোবাইল ব্যাংকিং এজেন্টদের সংশ্লিষ্টতা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুন্দরী নারীদের ছবি ব্যবহার করে ইমো আইডি খুলে টাকার বিনিময়ে অসামাজিক কার্যকলাপের প্রলোভন দেখানো হতো প্রবাসীদের। ফাঁদে পা দিলে অন্য অ্যাপ ব্যবহার করে নারীকণ্ঠে কথা বলা হতো এবং বিভিন্ন নারীর ভিডিও দেখানো হতো। শুধু ইমো নয়, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ খুলে বিশেষ বার্তা পাঠিয়ে প্রবাসীদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল একটি চক্র। এভাবে হাতিয়ে নেওয়া হতো লাখ লাখ টাকা।

বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া প্রবাসীদের ইমো হ্যাক করে ব্ল্যাকমেইল এবং তাঁদের স্বজনদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকচক্রটি। এই চক্রের তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের ওয়েব বেইসড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ছয়টি মোবাইল ফোন ও ১৪টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।

শাহবাগ থানার একটি মামলায় গত শুক্রবার নাটোরের লালপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারের পর তাঁদের ঢাকায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন সাঈদ হাসান সাগর, নয়ন আলী ওরফে নিয়ন আহম্মেদ ও সজল আলী। গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাঈদ হাসান সাগর রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করেছেন। আর নিয়ন আহম্মেদ রাজশাহী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং করছেন। দুজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি করে মামলা আছে। আর অপর আসামি সজল আলী অটোরিকশা চালাতেন।

ডিবির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের ওয়েব বেইসড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের ইনচার্জ  অতিরিক্ত উপকমিশনার আশরাফ উল্লাহ বলেন, চক্রটি প্রবাসীদের টার্গেট করত। তারা মূলত সুন্দরী নারীর টোপ দিয়ে ইমো হ্যাক করে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিত। গত তিন বছর ধরে ইমো হ্যাক করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে তারা। একেকজন বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা আয় করেছেন। প্রবাসীদের ফাঁদে ফেলার জন্য তাঁদের বিভিন্ন গ্রুপে কমেন্টের মাধ্যমে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দিতেন। সুন্দরী মেয়েদের নম্বর ও সুন্দরী মেয়ে লাগলে ফোন করার কথা বলা হতো। এ ছাড়া সুন্দরী মেয়েদের ছবি দিয়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলতেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিভিন্ন মেয়ের ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে ভয়েস এডিট করে ইউটিউবে ভিডিও প্রচার করতেন।



সাতদিনের সেরা