kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

অধ্যাপক আনিসুজ্জামান স্মরণ

সবার শিক্ষক হয়ে উঠেছিলেন তিনি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবার শিক্ষক হয়ে উঠেছিলেন তিনি

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গতকাল ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে স্মরণসভা ও আলোকচিত্রগ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামানের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল শনিবার। এ উপলক্ষে গতকাল বিকেলে বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে স্মরণসভা ও আলোকচিত্রগ্রন্থ প্রকাশের আয়োজন করে চন্দ্রাবতী একাডেমি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির সভাপতি ও কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মুহাম্মদ সামাদ।

বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আনিসুজ্জামানের ভাগ্নি বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

স্বাগত বক্তব্য দেন চন্দ্রাবতী একাডেমির নির্বাহী পরিচালক কামরুজ্জামান কাজল। পরে কবি মারুফুল ইসলামের সম্পাদনায় আলোকচিত্রগ্রন্থ ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা। মারুফুল ইসলাম বলেন, ‘জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মাঝে মানবিক সৌন্দর্যের সমাহার ঘটেছিল। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষকের ঊর্ধ্বে উঠে তিনি বাংলাদেশের সবার শিক্ষক হয়ে উঠেছিলেন। তিনি আমাদের মননে, মরমে ও স্মরণে আছেন, থাকবেন। ’

সেলিনা হোসেন বলেন, “অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ছিলেন মুক্তচিন্তার মানুষ। তিনি দেশের সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদী চিন্তাকে এগিয়ে নিয়েছেন। তাঁর চিন্তা-চেতনা ও মনোজগৎ থেকে সবাই উপকৃত হয়েছেন। দেশের জয়গান গাওয়া এ মানুষটির বাঙালি সত্তায় আমরা আলোকিত হয়েছি। তাঁর দৃঢ়তাকে ধারণ করে পরবর্তী প্রজন্মকে আমরা বলতে পারব ‘তোমরাও এই আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠো। ’”

মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘আনিসুজ্জামান ইতিহাসঘনিষ্ঠ লেখক ছিলেন। ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে কম বয়সে পিএইচডি করা ছাত্র ও গবেষক। আমাদের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে উনসত্তরের গণ-আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনে আমরা তাঁর কাছ থেকে বুদ্ধিবৃত্তিক অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। ’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আনিসুজ্জামান ব্যক্তি থেকে হয়ে উঠেছিলেন প্রতিষ্ঠান। তিনি আগাগোড়া একজন সক্রিয় মানুষ ছিলেন। সারাটা জীবন মানবতার জয়গান গেয়ে গেছেন। সংস্কৃতিকে রেখেছেন সব কিছুর ওপরে। তাঁর আদর্শ, জীবনছবি ও চিন্তাধারা তুলে ধরার জন্য উদ্যোগ নেওয়া দরকার। ’

স্মরণসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু, সাহিত্যিক আনিসুল হক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান।



সাতদিনের সেরা