kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ আগস্ট ২০২২ । ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১২ মহররম ১৪৪৪

যশোরে ওজোপাডিকোর বিরুদ্ধে অভিযোগ

দরপত্র আহবান ছাড়াই দেড় হাজার ট্রান্সফরমার বিক্রি

যশোর প্রতিনিধি   

১৪ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দরপত্র আহবান  ছাড়াই দেড় হাজার ট্রান্সফরমার বিক্রি

দরপত্র আহবান  ছাড়াই যশোরের চাঁচড়ার বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের (ওজোপাডিকো) আঞ্চলিক মেরামত কারখানা থেকে এক হাজার ৪৮৫টি ট্রান্সফরমার ও ৩৭ হাজার ২৩৯ কেজি তামার তার বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা বোর্ড একক সিদ্ধান্তে সরাসরি বিক্রয়ের ধারা অনুসরণ করে এ নিলাম সম্পন্ন করেছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটি প্রায় শতকোটি টাকার মালপত্র মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি গোপন রাখতে ছুটির দিনগুলো সামনে রেখে গত বৃহস্পতিবার থেকে মাল খালাসের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে ওজোপাডিকোর যশোরের আঞ্চলিক মেরামত কারখানার নির্বাহী প্রকৌশলী ও বিতরণ কমিটির সদস্যসচিব কাজী আব্দুল আজিজ জানান, ব্যবহার ও মেরামত অযোগ্য এক হাজার ৪৮৫টি ট্রান্সফরমার ও ৩৭ হাজার ২৩৯ কেজি তামার তার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় পরিচালনা পর্ষদ। এসব পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করা হয় পাঁচ কোটি ২৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৪২ টাকা। এরপর ওজোপাডিকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেনাকল্যাণ সংস্থার কাছে দরপত্র চেয়ে চিঠি দেন। তাঁরা পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ ৮৫ হাজার ১৬০ টাকা দরপত্র দাখিল করেন। এরপর ওজোপাডিকোর পরিচালনা পর্ষদ তাঁদের কাছে এসব পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত দেয়।

তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, দরপত্র আহবান  না করে গোপনে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় শতকোটি টাকার মালপত্র মাত্র সাড়ে পাঁচ কোটি টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে। বিষয়টি গোপন রাখতে ছুটির দিনকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে খালাস প্রক্রিয়া।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি ওজোপাডিকোর আঞ্চলিক মেরামত কারখানার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও ডেলিভারি কমিটির আহ্বায়ক ইখতিয়ার উদ্দীন।

তিনি বলেন, ‘বোর্ড সিদ্ধান্ত দিয়ে মালপত্র বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আমরা নির্দেশ পালন করছি। ’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেন্টার প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের পরিচালক মাসুদ আক্তার খান বলেন, ‘সরকারি ক্রয় নীতিমালা আছে, কিন্তু বিক্রয় নীতিমালা এখনো তৈরি হয়নি। ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে ও পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলাম কার্যক্রম করে। ফলে দরপত্র আহবান  করা হয় না। তবে এখন নিলাম নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে। এটা তৈরি ও বাস্তবায়ন হলে প্রশ্নবিদ্ধ নিলাম করা বন্ধ হবে। ’



সাতদিনের সেরা