kalerkantho

বুধবার ।  ২৫ মে ২০২২ । ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩  

সরেজমিন : সদর ও ফতুল্লা

বেলা বাড়লেও বাড়েনি ভোটার

শরীফুল আলম সুমন নারায়ণগঞ্জ থেকে    

১৭ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শীতের সকাল বলে মানুষ একটু দেরি করেই ভোটকেন্দ্রে আসবেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। কিন্তু গতকাল রবিবার নারায়ণগঞ্জ সদর ও ফতুল্লার কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে তেমনটি দেখা যায়নি। বেলা বাড়লেও বাড়েনি ভোটার উপস্থিতি। বেশির ভাগ সময়ই ভোটার লাইন ছিল না।

বিজ্ঞাপন

এসেই সরাসরি ভোট দিতে পেরেছেন ভোটাররা।

ফতুল্লার আদর্শ স্কুলের ৯২ নম্বর কেন্দ্রে নারী ভোটারসংখ্যা দুই হাজার ১০৭। গতকাল সকাল ১১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভোট পড়ে ১৮৬টি। আবার দুপুর ২টা ৪৮ মিনিটে গিয়ে দেখা যায়, ভোট পড়েছে ৫৬৯টি, যা ওই কেন্দ্রের মোট ভোটারের মাত্র ২৭ শতাংশ। আরো কিছু সময় অপেক্ষা করেও ওই কেন্দ্রে খুব বেশি ভোটার দেখা যায়নি।

ওই স্কুলের ৯৪ নম্বর কেন্দ্রে মোট নারী ভোটার তিন হাজার ২৫৫ জন। সকাল পৌনে ১১টায় ভোট পড়ে ৩৮৬টি। আর দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৯৯৬টি, যা মোট ভোটারের ৩২.৪১ শতাংশ।

এই কেন্দ্রে একাধিক নারী ভোটার ইভিএমে ভোট দিতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। ফলে দুপুর ১২টার দিকে কিছু সময়ের জন্য কেন্দ্রে লাইন পড়ে যায়।

আনোয়ার বেগম নামের এক ভোটার কালের কণ্ঠকে বলেন,  ‘একজনেরই ভোট দিতে অনেক সময় লেগে যাচ্ছে। এর পরও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে আসতে পেরে ভালো লাগছে। ’

একই স্কুলের ৯৩ নম্বর কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা এক হাজার ৯৫৩। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ৭৯৩টি ভোট পড়ে। এই কেন্দ্রের ভোটার স্থানীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। তিনি বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে এই কেন্দ্রে ভোট দেন।



সাতদিনের সেরা