kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

১২ ফাঁসির আসামির আটজনই খালাস

নোয়াখালীতে ব্যবসায়ী ও কর্মচারী হত্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নোয়াখালীতে ১৪ বছর আগে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী ও কর্মচারী হত্যায় বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ১২ জনের মধ্যে আটজনকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তাঁদের আপিল গ্রহণ করে এবং ডেথ রেফারেন্স (ফাঁসি কার্যকর করার আবেদন) খারিজ করে বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ রায় দেন।

ফাঁসির দণ্ডাদেশ থেকে খালাস পেয়েছেন মোফাজ্জল হোসেন জাবেদ, জাফর হোসেন মনু, আলি আকবর সুজন, শামছুদ্দিন ভুট্টু, সাহাব উদ্দিন, নাছির উদ্দিন মঞ্জু, আবু ইউসুফ সুমন ও তোফাজ্জল হোসেন জুয়েল।

তবে বাকি চার দণ্ডিতের মধ্যে তিনজনের ডেথ রেফারেন্স গ্রহণ করে মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বিজ্ঞাপন

আর একজনের আপিল গ্রহণ করে দণ্ড কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

যে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখা হয়েছে, তাঁরা হলেন কামরুল হাসান সোহাগ, রাশেদ ড্রাইভার ও কামাল হোসেন। আর মৃত্যুদণ্ডাদেশ কমিয়ে আবদুস সবুরকে দেওয়া হয়েছে ১০ বছরের কারাদণ্ড।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী হেলাল উদ্দিন মোল্লা, আজাহার উল্লাহ ভুঁইয়া, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও মোহাদ্দেসুল ইসলাম টুটুল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন শাহীন আহমেদ খান ও রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী সাধন কুমার বণিক।

আইনজীবী আজাহার উল্লাহ ভুঁইয়া পরে সাংবাদিকদের বলেন, এ রায় ঘোষণার সময় মহামান্য হাইকোর্ট উষ্মা প্রকাশ করেছেন। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, আইন ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে বিবেচনায় না নিয়ে বিচারিক আদালত খেয়ালিভাবে এ রায় দিয়েছেন, যেটা উচিত হয়নি। আরো সাবধানতার সঙ্গে সাক্ষ্য-প্রমাণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এবং আইনকে যথাযথভাবে বিবেচনায় রেখে এ ধরনের হত্যা মামলাগুলো নিষ্পত্তির জন্য উচ্চ আদালত তাগিদ দিয়েছেন।



সাতদিনের সেরা