kalerkantho

সোমবার ।  ১৬ মে ২০২২ । ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩  

ধর্মকে সংবিধানে যুক্ত করলেই সমস্যার শুরু

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সব নাগরিকের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও অধিকার রক্ষার স্বার্থে কোনো বিশেষ ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে গ্রহণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন পাকিস্তানের আইনজীবী, সম্পাদক ও কলাম লেখক জাভেদ আহমেদ কাজী। গতকাল রবিবার ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলনের প্যানেল আলোচনায় তিনি বলেন, সৃষ্টিকর্তা ধর্মীয় উপাসনালয়ে থাকেন না। তিনি থাকেন মানুষের মনে।

জাভেদ আহমেদ কাজী বলেন, ‘রাষ্ট্র যখন কোনো ধর্মকে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করে তখনই সমস্যা শুরু।

বিজ্ঞাপন

এটি অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিক বিষয়। রাষ্ট্রের উচিত ধর্মকে আলাদা রাখা। কারণ রাষ্ট্র সবার। রাষ্ট্র হিন্দুর। রাষ্ট্র মুসলমানের। রাষ্ট্র খ্রিস্টানের। ’

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, বর্তমান বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ রাষ্ট্রে ‘রাষ্ট্রধর্ম’ আছে। বিশ্বের যে ৪৩টি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রধর্ম আছে তার ২৭টিতেই রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম।

জাভেদ আহমেদ কাজী তাঁর নিজের দেশ পাকিস্তানের উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘পাকিস্তানে ধর্মীয় উগ্রবাদ অনেক বেশি। আমরা সিন্ধি। আমাদের সুফিবাদের বিশাল ইতিহাস আছে। আমরা আমাদের সংস্কৃতিকে ধর্মীয় উগ্রবাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছি। ’ তিনি বলেন, প্রতিবেশী ভারতেও ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়টি সংবিধানে আছে। সংবিধানের ওই বিষয়টি সংশোধন করা যায় না।

ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে গতকাল এই অধিবেশনে প্যানেল আলোচনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলের শুভেচ্ছা দূত সায়মা ওয়াজেদ হোসেন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, সম্পদের প্রাচুর্য আর প্রযুক্তির প্রভূত উন্নয়নের মধ্যেও বিশ্বব্যাপী মানুষে মানুষে বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন।

এছাড়া অধ্যাপক গ্রেগরি স্টেন্টন,  অধ্যাপক ফ্রান্সিসকো আরাভেনা, চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম বোস প্রমুখ বক্তব্য দেন।



সাতদিনের সেরা