kalerkantho

শুক্রবার । ১৪ মাঘ ১৪২৮। ২৮ জানুয়ারি ২০২২। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

রায়হান হত্যা মামলা

প্রশ্ন উঠেছে এক সাক্ষীর মৃত্যু আরেক সাক্ষীকে হুমকি নিয়ে

সিলেট অফিস   

৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সিলেটের আলোচিত রায়হান হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী চুলাই লালের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন রায়হানের মা সালমা বেগম। তিনি বলেছেন, ‘চুলাই লাল আত্মহত্যা করেছেন বলে জেনেছি। এখন তিনি আত্মহত্যা করেছেন নাকি কেউ মেরেছে, এটা নিশ্চিত হওয়া দরকার। ’ তিনি আরো বলেন, ‘মামলার আগের সাক্ষী হাছান খানকে সাক্ষ্য না দিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ভয়ে তিনি সিলেট ছেড়ে গেছেন। এখন আমরাও নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছি। ’ তিনি গতকাল কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

সিলেট নগরের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশ হেফাজতে রায়হান আহমদ হত্যা মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল গতকাল রবিবার। এদিন সিলেটের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর আদালতের বিচারক আবুল মোমেনের আদালতে মামলার আসামিদের হাজির করা হয়।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নওশাদ আহমদ জানান, এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। পাশাপাশি পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ আল নোমানের মালপত্র ক্রোকীয় পরোয়ানার শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু জারীকৃত ক্রোকি পরোয়ানা তামিল হয়ে না আসায় পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন আদালত।

এদিন আদালতে হাজির হন রায়হানের মা সালমা বেগম। আদালত শুরু হতে দেরি হওয়ায় তিনি ফিরে যান। পরে কালের কণ্ঠের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘রায়হানকে কাষ্টঘর এলাকার চুলাই লালের ঘর থেকে সুস্থ অবস্থায় ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। চুলাই হলো প্রথম সাক্ষী। সে নাকি দুই মাস আগে মারা গেছে। এখন আমি শুনছি, কেউ কেউ বলছে, পুলিশও বলছে, সে নাকি আত্মহত্যা করেছে। আমি সঠিক জানি না সে আত্মহত্যা করেছে, নাকি তাকে মারা হয়েছে। ’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘মামলার আরেক সাক্ষী হাসান খান যে পুলিশ ফাঁড়ির পাশের কুদরতউল্লাহ মার্কেটের দোতলায় থাকত। হাসানকে কে বা কারা এখন হুমকি দিচ্ছে সাক্ষ্য না দিতে। ’ ভয়ে হাসান সিলেট ছেড়েছেন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আসামিরা তো জেলে। তবে তাকে কারা হুমকি দিচ্ছে। জেলে থেকেও তারা শক্তিশালী। যে কারণে আমার পরিবারও এখন আতঙ্কে আছে। ’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার নিজগৃহে চুলাই লালের ঝুলন্ত দেহ পাওয়া যায়। তিনি রায়হান হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী। তাঁর বাসা থেকেই পুলিশ রায়হানকে ধরে নিয়ে যায়। তাঁর মৃত্যু হলেও বিষয়টি সামনে আসেনি।

 



সাতদিনের সেরা