kalerkantho

সোমবার ।  ১৬ মে ২০২২ । ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩  

ঢাকায় শান্তি সম্মেলন শেষ

গণতন্ত্র ও সুশাসনের অঙ্গীকার

♦ ১৬ দফা ঢাকা ঘোষণা
♦ মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় নিহতদের স্মরণ করে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে অঙ্গীকারও রয়েছে

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শান্তির জন্য গণতন্ত্র, সুশাসন ও আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকার জানিয়ে ১৬ দফা ঢাকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে গতকাল রবিবার বিশ্ব শান্তি সম্মেলন শেষ হয়েছে। রাজধানীর একটি হোটেলে দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ওই ঘোষণা গৃহীত হয়। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসকে সামনে রেখে ঢাকা ঘোষণার দফার সংখ্যা ১৬ রাখা হয়েছে।

সম্মেলনে চারটি প্যানেল আলোচনায় বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের বক্তব্য ও সুপারিশের ভিত্তিতে ১৬ দফা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গণতন্ত্র, সুশাসন ও আইনের ওপর গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

ঢাকা ঘোষণায় সশস্ত্র সংঘাত মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক শান্তির কূটনীতি অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার রয়েছে। মৌলিক স্বাধীনতা ও অধিকার সমুন্নত রেখে টেকসই শান্তি, উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ঢাকা ঘোষণায় আমলে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শান্তির প্রতি বঙ্গবন্ধুর অঙ্গীকার ও স্বপ্নকে আমলে নিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

ঢাকা ঘোষণায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তায় বাংলাদেশের ভূমিকা এবং এসব ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা রয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যায় নিহতদের স্মরণ করে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে অঙ্গীকার রয়েছে ঢাকা ঘোষণায়। এ ছাড়া জাতিসংঘের মানবাধিকার কাঠামোগুলোকে তাদের দায়িত্ব নির্বিঘ্নে পালনের সুযোগ দিতে এবং অতীত নৃশংসতার স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

ঢাকা ঘোষণায় মানবাধিকারকর্মীদের সুরক্ষার অঙ্গীকার রয়েছে। এ ছাড়া সব ধরনের সন্ত্রাসের নিন্দা জানানো হয়েছে। স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায্য সমাজ প্রতিষ্ঠায় সামাজিক ন্যায়বিচার ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তাও স্থান পেয়েছে ঢাকা ঘোষণায়। শান্তি ও নিরাপত্তা বিনষ্টকারী ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সম্মিলিত লড়াইয়ের কথা বলা হয়েছে।

ঢাকা ঘোষণায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা, বাস্তুচ্যুতি ও জীববৈচিত্র্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জোরালো আগ্রহ তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া সাগরে সংঘাত, দস্যুতার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা