kalerkantho

সোমবার । ৩ মাঘ ১৪২৮। ১৭ জানুয়ারি ২০২২। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে চীনের সঙ্গে চুক্তি সই

৪২ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে ব্যয় হবে প্রায় ১৫ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আমিনবাজারে সাড়ে ৪২ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে স্থানীয় সরকার বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং চীনের চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের (সিএমইসি) মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

দেশে এই প্রথমবারের মতো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। চুক্তি অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন আমিনবাজার এলাকায় সিএমইসি এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করবে। এতে ব্যয় হবে প্রায় ১৫ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন তিন হাজার টন বর্জ্য লাগবে। প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম পড়বে ১৮.২৯৫ টাকা।

গতকাল চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন চুক্তির মাধ্যমে দেশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে যে পরিমাণ ময়লা-আবর্জনা প্রয়োজন হবে তা সিটি করপোরেশন সরবরাহ করলে শহরে ময়লার সমস্যা থাকবে না।’

তিনি আরো বলেন, জাপান ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যে মডেল অনুসরণ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে, তার চেয়ে বাংলাদেশের জন্য ইনসিনারেশন অর্থাৎ বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি সর্বোত্তম। এই পদ্ধতিতে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না। তাই প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি নিয়ে বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। কার্যক্রম শুরু হওয়ার ১৮ মাসের মধ্যেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাবে চীনা কম্পানি। এ ব্যাপারে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, চীনা কম্পানি নিজ ঝুঁকিতে প্লান্ট স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবে। সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় জমি ও নিয়মিত বর্জ্য সরবরাহ করবে। আর উৎপাদিত বিদ্যুৎ ক্রয় করবে বিদ্যুৎ বিভাগ।



সাতদিনের সেরা