kalerkantho

সোমবার ।  ২৩ মে ২০২২ । ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২১ শাওয়াল ১৪৪৩  

রূপপুর বিদ্যুৎ প্রকল্প

প্রথম ইউনিটে বাষ্প জেনারেটর স্থাপন শেষ

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৭ নভেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের (আরএনপিপি) প্রথম ইউনিটের রিয়্যাক্টর ভবনে সব বাষ্প জেনারেটর স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী ইউনিটের রিয়্যাক্টর ভবনের নকশা অনুসারে সুনির্দিষ্ট স্থানে (কম্পার্টমেন্টে ডিজাইন পজিশনে) চারটি বাষ্প জেনারেটর স্থাপন শেষ করা হয়। কাজ বাস্তবায়ন করেছে রুশ রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রসাটমের প্রকৌশল শাখার সাব-ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এনার্গোস্পেকমন্তাঝ।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নির্মাণকাজের মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এটমোস্ত্রয়এক্সপোর্ট (এএসই) সূত্রে জানা যায়, রাশিয়ার ভলগাদন্সকের একটি প্রতিষ্ঠান এটোমাস (এইএম টেকনোলজিসের একটি শাখা) রূপপুর এনপিপির জন্য বাষ্প জেনারেটরগুলো তৈরি করেছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিটি বাষ্প জেনারেটর দৈর্ঘ্যে প্রায় ১৪ মিটার। প্রস্থ চার মিটারেরও বেশি। যার প্রতিটির ওজন ৩৫০ টন।

সূত্র মতে, রিয়্যাক্টর প্লান্ট সার্কুলেশন সার্কিটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বাষ্প জেনারেটর। রিয়্যাক্টর কোরে সৃষ্ট তাপ সেকেন্ডারি সার্কিটে ট্রান্সফারের জন্য এই বাষ্প জেনারেটর মূল ভূমিকা পালন করে, যা সেকেন্ডারি সার্কিটে বাষ্পের সাহায্যে টার্বাইন ঘোরানোর কাজ করে। আর এই ঘোরানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।

এটমোস্ত্রয়এক্সপোর্টের (এএসই) ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর এনপিপি নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আলেক্সি দেইরি বলেন, ‘স্থায়ীভাবে বাষ্প জেনারেটর স্থাপনের মধ্য দিয়ে প্রথম ইউনিটে প্রতিস্থাপন (ইন্সটলেশন) কাজের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় সম্পন্ন হয়েছে। এখন প্রাইমারি সার্কিট ইকুইপমেন্ট রিয়্যাক্টর, বাষ্প জেনারেটর এবং মূল সার্কুলেশন পাম্পের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনকারী মূল সার্কুলেশন পাইপলাইনের ওয়েল্ডিংয়ের কাজ শুরু হবে। ’ তিনি জানান, রূপপুর এনপিপির নকশা প্রণয়ন এবং নির্মাণকাজের দায়িত্বে রয়েছে রসাটমের প্রকৌশল শাখা। রূপপুর প্রকল্পে দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট নির্মিত হচ্ছে। যার প্রতিটিতে থাকবে ৩+ প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ রিয়্যাক্টর। প্রতিটি ইউনিটের আয়ুষ্কাল ধরা হয়েছে ৬০ বছর। তবে এর আয়ুষ্কাল আরো ২০ বছর বাড়ানোর সুযোগ থাকবে বলেও দাবি করেন এই কর্মকর্তা।



সাতদিনের সেরা