kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

বিশ্ব ওজোন দিবস আজ

সিএফসির ব্যবহার বন্ধের দাবি

গৌরাঙ্গ নন্দী, খুলনা   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দূষণের প্রভাবে পৃথিবীর ওপর প্রায় ২০ থেকে ৪০ কিলোমিটারজুড়ে চাদরের মতো থাকা বায়ুস্তর বা ওজোনস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বলা হচ্ছে, ওজোনস্তর ছিদ্র হচ্ছে। এতে সূর্যের ক্ষতিকর আল্ট্রাভায়োলেট (অতিবেগুনি) রশ্মি পৃথিবীতে চলে আসবে। আর মানব সভ্যতা পড়তে পারে হুমকির মুখে।

বিজ্ঞাপন

এই বিশেষ বায়ুস্তরকে সম্মান জানাতে প্রতি বছর পালিত হয় বিশ্ব ওজোন দিবস। আজ ১৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ওজোন দিবস।

তথ্য মতে, ১৯৮৫ সালে প্রথম ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এই বিশেষ বায়ুস্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই স্তরে তুলনামূলকভাবে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ বেশি বলে এমন নামকরণ করা হয়েছে। এই স্তরটি চাদরের মতো ঢেকে রাখে বলেই সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি এবং গ্যাস পৃথিবীতে আসতে পারে না। এই রশ্মি ও গ্যাস মানুষ ও জীব-জগতের জন্য ক্ষতিকর। বস্তুত এই স্তরে বাধা পেয়ে ক্ষতিকর উপাদান বিপরীত দিকে ফিরে যায়। ১৯৭০ সাল থেকে বিজ্ঞানীরা এই দূষণ আঁচ করতে পেরেছিলেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওজোনস্তরে ওজনের ঘনত্ব খুব কম হলেও জীবনের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি এটি শোষণ করে নেয়। ওজোনস্তর সূর্যের ক্ষতিকর এই বেগুনি রশ্মির ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশ শোষণ করে নেয়। নির্বিচারে বন উজাড়, গাছ কেটে ফেলা ও পরিবেশদূষণ বাড়ায় এই স্তরে ছিদ্র দেখা দিচ্ছে। যে ছিদ্রপথে অতিবেগুনি রশ্মি প্রবেশ করে ত্বক ও হাড়ের ক্যান্সার, ছানি, উদ্ভিদ জগতের ক্ষতি, প্লাংকটন হ্রাস, সমুদ্রের জীবের মৃত্যুর কারণ হচ্ছে। এর জন্য প্রধানত দায়ী ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি) ও হ্যালোজেন গ্যাস। এ কারণে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিল শহরে সম্পাদিত চুক্তিতে এসব গ্যাস উৎপাদন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা