kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বললেন

আমরা প্রস্তুত, যেকোনো সময় খুলতে পারে স্কুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আমরা প্রস্তুত, যেকোনো সময় খুলতে পারে স্কুল

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেছেন, ‘আমরা প্রস্তুত রয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী যেকোনো সময়ে স্কুল খুলতে পারে। তবে এখন আমরা করোনা পরিস্থিতি আরো কিছুটা কমার জন্য অপেক্ষা করছি।’

গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়—সবাই মিলে একটা সিদ্ধান্ত তো লাগবে। স্কুল হুট করে তো খুলে দেওয়া যাবে না। আরো একটু স্বাভাবিক হলে হয়তো খোলা যেতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একটা শর্ট সিলেবাসেরও চিন্তা-ভাবনা করছি। সেটা প্রাথমিক সমাপনীতে ব্যবহার হবে। তবে স্কুল খুলতে পারলে সমাপনী পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করব। সশরীরে পরীক্ষা যদি নিতে না পারি তাহলে ওয়ার্কশিটের (অ্যাসাইনমেন্ট) ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে। যেভাবেই হোক, শিক্ষার্থীরা পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আগে আমাদের একটা পরিকল্পনা ছিল যে পার্ট পার্ট করে ক্লাস করব। থ্রি, ফোর, ফাইভ হয়তো দুই দিন করব। ওয়ান, টু এক দিন এক দিন করে করব। এখন স্কুল খুলতে পারলে এভাবেই ক্লাস করাতে চাচ্ছি।’

জাকির হোসেন বলেন, ‘সেপ্টেম্বরে খুলতে হলে আমাদের প্রস্তুতি আছে, অক্টোবরে খুলতেও প্রস্তুতি আছে। আমাদের ওয়ার্কশিট দেওয়া হচ্ছে সিলেবাস অনুযায়ী, এটিও একটি মূল্যায়ন। এই ওয়ার্কশিট দেওয়ার কারণে সারা দেশে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘স্কুল খুললে কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, সেই নির্দেশনা দেওয়াই আছে। প্রাথমিকের ৮৫ শতাংশ শিক্ষক এরই মধ্যে করোনার টিকা নিয়েছেন, সবাইকেই টিকার আওতায় আনা হবে। এখনো স্কুলগুলো আমরা খোলা রেখেছি। যাতে শিক্ষকরা ছাত্র ও অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন। অনেক অভিভাবক ওয়ার্কশিট নিয়ে যাচ্ছেন আবার জমা দিচ্ছেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরাও জানি দীর্ঘ দেড় বছর আমার বাচ্চারা বাড়িতে আছে। পড়াশোনা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। অনেকে বাজে গেমস খেলছে। কিশোরদের যখন পড়াশোনা থাকে না, স্কুল থাকে না তখন বিভিন্নভাবে আড্ডা দেয়। দুর্গম এলাকা বা চরের বাচ্চাদের বাল্যবিবাহের প্রবণতা কিছুটা বাড়ছে।’

করোনা পরিস্থিতি আরেকটু নিয়ন্ত্রণে এলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আভাস দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই আভাস পেয়ে অনেক স্কুলেই শুরু হয়েছে ধোয়া-মোছার কাজ। গতকাল রাজধানীর সেগুনবাগিচা হাই স্কুল থেকে তোলা।      ছবি : কালের কণ্ঠ



সাতদিনের সেরা