kalerkantho

রবিবার । ৯ মাঘ ১৪২৮। ২৩ জানুয়ারি ২০২২। ১৯ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শিমুলিয়া-বাংলাবাজারে যান ও যাত্রীর চাপ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথে গতকাল শুক্রবার সারা দিনই যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ ছিল। এর মধ্যে শিমুলিয়া প্রান্তে বিকেলে ফেরি পারাপারের অপেক্ষায় আটকা ছিল পাঁচ শতাধিক গাড়ি। অন্যদিকে বাংলাবাজার ঘাটে ছিল ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় গতকাল সকাল থেকেই শিমুলিয়া ঘাটে গাড়ি ও যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে।

বিজ্ঞাপন

লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকায় সব যাত্রীই ফেরির ওপর নির্ভরশীল ছিল। এ ছাড়া ঘাটে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ ছিল বেশি।

শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘এই নৌপথে ১০টি ফেরি চলাচল করছে। পর্যায়ক্রমে সব যানবাহন পার করা হবে। ’

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের টিআই জাকির হোসেন বলেন, ছুটির দিন হওয়ায় শিমুলিয়ায় যাত্রীচাপ বেড়েছে। তবে যাত্রীর চেয়ে গাড়ির চাপ বেশি।

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি জানান, বাংলাবাজার ঘাটে সকাল থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের প্রচণ্ড চাপ ছিল। যাত্রীদের চাপে অনেক গাড়ি ফেরিতে ওঠাতে হিমশিম খেতে হয় কর্তৃপক্ষকে। বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, মাদারীপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে বাংলাবাজার ঘাটে আসছে যাত্রীরা। স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা কম মানুষের মধ্যেই ছিল। গতকাল দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, ছয় শতাধিক পণ্যবাহী যান পারাপারের অপেক্ষায় আটকে আছে।

বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রী রিফাত হোসেন বলেন, ‘ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। ঈদের সময় পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি এসেছিলাম। ১১ আগস্ট থেকে অফিসে যোগদান করতে হবে। তাই আগেই ঢাকা ফিরে যাচ্ছি। ’

নড়াইলের যাত্রী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এখন যা চলছে, এটা কোনো লকডাউন না। এটা হচ্ছে ভোগান্তি। স্ত্রীকে চিকিৎসক দেখাতে ঢাকায় নিতে হবে। অ্যাম্বুল্যান্স নিয়ে সকাল ১০টা থেকে বাংলাবাজার ঘাটে বসে আছি। এখন ১২টা বাজে; ফেরিতে উঠতে পারিনি। ’ বাংলাবাজার ঘাট ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘আজ সকাল থেকেই ফেরিতে যাত্রীদের চাপ রয়েছে। ফলে ঘাটে কিছু পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। আমরা পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুল্যান্স, জরুরি গাড়ি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করছি। ’



সাতদিনের সেরা