kalerkantho

রবিবার । ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৫ ডিসেম্বর ২০২১। ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৩

বিধি-নিষেধ শিথিলের আগেই শিথিলতা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধি-নিষেধে এক সপ্তাহের শিথিলতা ঘোষণা করেছে সরকার। আসন্ন ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে আজ বৃহস্পতিবার থেকে আগামী শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত এই শিথিলতা থাকবে। তবে আগেভাগেই শিথিলতার চিত্র চলে এসেছে যান চলাচলে। গত দুই দিনে সড়কে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মানুষের চলাচল ব্যাপকভাবে বেড়েছে। ১৪ দিনের কঠোর বিধি-নিষেধের শেষ দিন ছিল গতকাল বুধবার। এদিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে পুলিশের তল্লাশি চৌকি দেখা যায়নি। দেখা মেলেনি পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহলও।

গতকাল সকাল থেকে রাজধানীর আজিমপুর, মহাখালী, বাড্ডা, তেজগাঁও, রামপুরা, ফার্মগেট, পান্থপথ, ধানমণ্ডি, শাহবাগ এলাকার সড়কে রিকশা, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাসের চাপ ছিল গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেক বেশি। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যানজটও দেখা গেছে।

দোকানপাট খোলায় পাড়া-মহল্লার অলিগলি ছিল অনেকটাই সরগরম। সার্বিক চিত্র বলে দেয়, শিথিলের আগেই শিথিলতা নেমে এসেছে ঢাকা শহরের সড়কে।

এত যানজট ও মানুষের ভিড়ের মধ্যেও গতকাল কঠোর লকডাউনের বিধি-নিষেধ না মানায় ৪৬২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) ইফতেখারুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০৫ জনকে এক লাখ ৩২ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর ৭৪৪টি গাড়ির নামে মামলা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। এসব মামলার বিপরীতে ১৫ লাখ ৭৯ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যে সিটি কলেজের সামনে নিয়মিতই ছিল সেনাবাহিনীর তল্লাশি চৌকি। গতকাল সে পথে কিছু ব্যারিকেড থাকলেও পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কোনো সদস্যের উপস্থিতি ছিল না। সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের এক সার্জেন্ট জানান, সড়কে মানুষ ও যানবাহন বেড়ে গেছে। সবাইকে জিজ্ঞাসা করাও কঠিন। যাদেরই থামানো হচ্ছে তারা সবাই জরুরি কাজের অজুহাত দিচ্ছে।

একই চিত্র দেখা গেছে পুরান ঢাকার লালবাগে। সেখান রাস্তায় রিকশার প্রচণ্ড চাপ দেখা গেছে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ি, মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশায়ও মানুষ চলাচল করেছে। রিকশাচালক হারুন মিয়া বলেন, ‘রাস্তায় খালি গাড়ি আর গাড়ি। এই কয় দিন খুব আরামে রিকশা চালানো গেছে। যাত্রী কম থাকলেও রাস্তা খালি ছিল। দুই দিন ধইরা সব আগের মতো হইয়া গেছে।’



সাতদিনের সেরা