kalerkantho

শনিবার । ১০ আশ্বিন ১৪২৮। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৭ সফর ১৪৪৩

সমাধান খুঁজতে অ্যাটর্নি জেনারেলকে দায়িত্ব দিলেন হাইকোর্ট

লকডাউনে আটক ব্যক্তিদের গাদাগাদি করে রাখার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলমান লকডাউন ভঙ্গের কারণে আটক ব্যক্তিদের প্রিজন ভ্যানে করে আদালতে নিয়ে হাজতখানায় গাদাগাদি করে রাখার মাধ্যমে স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গের অভিযোগ কিভাবে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেলকে আলোচনা করতে বললেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার অ্যাটর্নি জেনারেলকে এ দায়িত্ব দেন। আদালত বলেছেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গের অভিযোগে আটক করলেন। আবার নিজেরাই যদি সেই স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করেন তাহলে কী হলো? বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তাই এটা কিভাবে সমাধান করা যায় তা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার ও পুলিশের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলুন।’

লকডাউন ভঙ্গের অভিযোগে আটক করা কয়েক শ ব্যক্তিকে একসঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় রাখার বিষয়টি গতকাল আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আসাদ উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. জোবায়দুর রহমান, আল রেজা মো. আমির ও মোহাম্মদ মিসবাহ উদ্দিন। আসাদ উদ্দিন আদালতে বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গের অভিযোগে রাজধানীতে প্রতিদিন ৪০০-৫০০ ব্যক্তিকে আটক করা হচ্ছে। গত ছয় দিনে তিন হাজার ৬৫ জন আটক হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন থানা থেকে প্রতিটি প্রিজন ভ্যানে ২০-২৫ জন করে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নেওয়া হচ্ছে। তাদের আদালতে নেওয়ার সময় (প্রিজন ভ্যানে) এবং একসঙ্গে হাজতখানার রাখায় স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ হচ্ছে। পরস্পরের শরীরের সঙ্গে শরীর এবং নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিঃশ্বাস মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া আটক ব্যক্তিদের আত্মীয়-স্বজনরা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভিড় করছেন। এতে আটক ব্যক্তিদের মাধ্যমে করোনার সংক্রমণ আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় আদালত বলেন, সরকার তো ভালো বুঝেই এ বিষয়ে আইন করেছে। কিন্তু এর বাস্তবায়নে যে জনশক্তি ও লজিস্টিক সাপোর্ট লাগবে রাতারাতি তার ব্যবস্থা করা কঠিন।

এ সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বলেন, আটক ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার বাধ্যবাধকতা আছে।

পরে আদালত এ বিষয়ে কী করা যায় তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিনের কাছে জানতে চান। জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘পুলিশ কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলাপ করে জানাব।’



সাতদিনের সেরা