kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

৩০ লাখ শিশুর বিস্কুট বন্ধ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বাড়ানো, ঝরে পড়া রোধ এবং শিশুদের অপুষ্টি দূর করতে স্কুল ফিডিং রাখছে কার্যকর ভূমিকা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্কুল ফিডিংয়ে দেওয়া হয় রান্না করা গরম খাবার। আর আমাদের দেশে দেওয়া হচ্ছে বিস্কুট। কিন্তু সেই প্রকল্পও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। নতুন কোনো প্রকল্প গ্রহণ কিংবা পুরনো প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোরও খুব একটা তৎপরতা নেই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের। আগামী ৩০ জুন ‘দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং প্রকল্পের’ সময় শেষ হচ্ছে।

এদিকে করোনার এই দুঃসময়েও শিশুদের স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় উচ্চ মানসম্পন্ন বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে। বেশির ভাগ সময়ই অভিভাবকরা একবারে কয়েক দিনের বিস্কুটের প্যাকেট স্কুল থেকে সংগ্রহ করছেন। অনেক সময় তা শিশুদের বাড়িতেও পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ায় এটাও বন্ধ হয়ে যাবে কিছুদিন পর। ২০১০ সালের জুলাইয়ে দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং প্রকল্পটি চালু হয়। এত দিন প্রকল্পের আওতাধীন ৩৫ জেলার ১০৪টি উপজেলায় সুবিধাভোগী শিক্ষার্থী ছিল প্রায় ৩০ লাখ। প্রতিদিন প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট ও ইবতেদায়ি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের ৭৫ গ্রাম ওজনের এক প্যাকেট উচ্চ পুষ্টিমানসমৃদ্ধ বিস্কুট দেওয়া হতো। এ থেকে শিশুরা ৩৩৮ কিলোক্যালরি শক্তি পায়, যা তাদের প্রতিদিনের শক্তি চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। এ ছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে ১৬টি উপজেলায় শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবারও দেওয়া হয়।



সাতদিনের সেরা