kalerkantho

বুধবার । ২০ শ্রাবণ ১৪২৮। ৪ আগস্ট ২০২১। ২৪ জিলহজ ১৪৪২

গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক

সবার জন্য টিকা নিশ্চিতের আহবান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সবার জন্য কভিড-১৯ টিকা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। গতকাল শুক্রবার ভোরে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ আহবান জানান। নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন জানায়, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন সদ্যঃসমাপ্ত জি-সেভেন সম্মেলনে করোনাভাইরাসের টিকাকে ‘সবার জন্য’ ঘোষণা করায় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান। এর প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব সবার টিকা পাওয়ার বিষয়ে জি-সেভেন সম্মেলনে তাঁর নেওয়া উদ্যোগ এবং টিকা তৈরিতে বাংলাদেশের সক্ষমতার তথ্য উপস্থাপন করার কথা তুলে ধরেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের ‘গভীর সম্পর্ক’ থাকার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি শান্তি রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়নসহ জাতিসংঘের সব কাজে বাংলাদেশের ‘দৃঢ় নেতৃত্বের ভূমিকার প্রশংসা’ করেন। আন্তোনিও গুতেরেস দ্বিতীয় মেয়াদে জাতিসংঘ মহাসচিবের দায়িত্ব পাওয়ায় তাঁকে অভিনন্দন জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি প্রথম মেয়াদে গুতেরেসের ‘বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বের’ প্রশংসা করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের দিকে দৃষ্টি রাখায় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। এ অবস্থায় মহাসচিবের ব্যক্তিগত উদ্যোগের বিশেষ প্রয়োজন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনেক প্রভাবশালী দেশ মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনায় মুখর হলেও সে দেশের জান্তা সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও ব্যাবসায়িক সম্পর্ক অটুট রেখে চলেছে। এ ধরনের দ্বৈতনীতি ‘হতাশাজনক’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মিয়ানমারের ১১ লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার প্রশংসা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘বিশ্বে সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির চালানোর যে উদারতা বাংলাদেশ দেখাচ্ছে, তা কখনো বিশ্ব ভুলবে না।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন এ সময় ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য গড়ে তোলা আশ্রয়ণ প্রকল্পের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কথা মহাসচিবকে অবহিত করেন এবং সেখানে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদিও এসডিজি বাস্তবায়নে সঠিক পথেই রয়েছে, তার পরও মহামারির কারণে বিরূপ প্রভাব পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অর্থায়নের ক্ষেত্রে।



সাতদিনের সেরা