kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

সেই দুই আ. লীগ নেতার অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল

পাবনা প্রতিনিধি   

১৮ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাবনা গণপূর্ত অফিসে অস্ত্র হাতে মহড়া দেওয়া আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের দুই নেতার দুটি অস্ত্রের (শটগান) লাইসেন্স বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁদের অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) সিন্ধ আখতার কালের কণ্ঠকে জানান, অস্ত্র দুটি জব্দ করার পর পুলিশ জানতে পারে, সেগুলোর লাইসেন্স ছিল। তিনি বলেন, বৈধ অস্ত্র মানুষের জানমালের নিরাপত্তার জন্য দেওয়া হয়। কিন্তু কোনো ধরনের হুমকি ছাড়া প্রকাশ্যে দলবলসহ এভাবে অস্ত্র বহনে জনমনে ভীতির সঞ্চার ও অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের শর্ত ভঙ্গ হওয়ায় ওই দুই ব্যক্তির ব্যবহৃত দুটি ১২ বোরের শটগানের লাইসেন্স বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসন বরাবর সুপারিশ করা হয়।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ জানান, পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর গতকাল মহসিন রেজা খান মামুন (এম আর খান মামুন) ও শেখ আনোয়ার হোসেনের (শেখ লালু) অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এম আর খান মামুন পাবনা পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শেখ লালু জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য।

এদিকে ৬ জুনের ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া দুই নেতা ফারুক হোসেন (পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক) ও এম আর খান মামুনকে দল থেকে অব্যাহতি দিয়ে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ। একই অভিযোগে শেখ লালুকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে জেলা যুবলীগ।

৬ জুন সকালে ফারুক হোসেন, এম আর খান মামুন ও শেখ লালু তাঁদের সহযোগী নিয়ে সশস্ত্র অবস্থায় পাবনার গণপূর্ত অফিসে প্রবেশ ও কিছুক্ষণ অবস্থান করেন। ১২ জুন গণপূর্ত অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ হয়ে পড়লে এ নিয়ে শহরে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

জেলা পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। প্রাথমিকপর্বে ফুটেজের চিত্র অনুযায়ী মামুন ও লালুর ব্যবহৃত অস্ত্র দুটি জব্দ করে পুলিশ। পরে তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দিয়ে অস্ত্র দুটির লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়।



সাতদিনের সেরা