kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

ছাত্রকে বলাৎকার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

আরো দুই অভিযোগ মামলা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশের বিভিন্ন জেলায় দুই মাদরাসাছাত্রকে বলাৎকার এবং স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া এক গৃহবধূ ও অন্য এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার ও রবিবার শরীয়তপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বগুড়া ও নারায়ণগঞ্জের এসব ঘটনায় পৃথক থানায় মামলা হয়েছে।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ উপজেলায় এক মাদরাসাছাত্রকে (১৪) বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার মহিষার ইউনিয়নের পম-সাজনপুর এলাকার এক মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মো. মাহমুদুল হাসানের (৩৮) বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করে গত রবিবার ভুক্তভোগীর মামা বাদী হয়ে ভেদরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মাহমুদুলের বাড়ি পিরোজপুরে নাজিরপুর থানায়। তিনি পশ্চিম ছোট বুইচাকাঠি এলাকার আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। ভুক্তভোগীকে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ভেদরগঞ্জ থানা পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পম-সাজনপুরের একটি হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার হেফজ বিভাগের ওই ছাত্রকে গত ১২ মে গভীর রাতে মাহমুদুল নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে বলাৎকার করেন। পরদিন সকালে ছাত্রটি নিজ বাড়িতে চলে যায়। পরে বারবার বলার পরও ভুক্তভোগী মাদরাসায় না যেতে চাইলে ঘটনাটি প্রকাশ পায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় সাইফুল ইসলাম (২০) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গত রবিবার গভীর রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার অমোদাবাদ গ্রাম থেকে র‌্যাবের একটি দল তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ধর্ষণের ঘটনায় কুলিয়ারচর থানায় মামলা হলে অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাইফুল ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি জানান, শাজাহানপুরে এক গৃহবধূকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নাইম হোসেন (২২) নামের এক যুবককে গতকাল সোমবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নাইম উপজেলার আমরুল ইউনিয়নের পলিপালাশ গ্রামের নায়েব আলী মণ্ডলের ছেলে।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নারায়ণগঞ্জ বন্দরে মায়ের সামনে থেকে স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে (১৩) অপহরণ ও যৌন হয়রানির মামলায় মাসুদ নামের এক ব্যক্তিকে গতকাল গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মাসুদ এলাকার আনোয়ার আলীর ছেলে। আরেক আসামি জনি আব্দুল গাফফারের ছেলে। মাসুদ সম্পর্কে জনির মামা হন।

ভুক্তভোগীর মা জানান, গত শনিবার বিকেলে মেয়েকে নিয়ে মদনপুর বাজারে গেলে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাঁর মেয়েকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। রবিবার তাঁর মেয়ে সেখান থেকে পালিয়ে আসে। গতকাল সকালে মেয়েকে নিয়ে তিনি মদনপুর বাসস্ট্যান্ডে এলে জনি ও মাসুদ তাঁর সামনে থেকে আবারও মেয়েকে ছিনিয়ে নেন এবং যৌন হয়রানি করেন।

বন্দর থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা জানান, মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জনিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভিকটিমকে জবানবন্দি দিতে আদালতে পাঠানো হয়েছে।