kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

এখনো খোলা আকাশের নিচে অনেক পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এখনো খোলা আকাশের নিচে অনেক পরিবার

রাজধানীর মহাখালীর সাততলা বস্তিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া কয়েক শ ঘরের বাসিন্দারা এখনো খোলা আকাশের নিচে দিনরাত পার করছেন। অনেকে সরকারি এবং বেসরকারিভাবে পাওয়া কার্পেট দিয়ে তাঁবু বানিয়ে কোনো রকমে থাকছেন।  তবে সিটি কর্পোরেশন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ক্ষতিগ্রস্তদের তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থার নিশ্চয়তা করেছেন।

আগুনে ঘর পুড়ে যাওয়া সোলাইমান মিয়া বলেন, ‘তিনবেলা খাবারের বিষয়ডা নিশ্চিত করছে বিভিন্ন মহল থেইকা। কোনো রকমে তাঁবু বানাইয়া আগের জায়গাতেই আছি। অনেকে খোলা আকাশের নিচে কোনো রকমে দিন পার করতাছি। তবে আশা করি, খুব দ্রুত সরকার আমাদের ঘর-দোয়ার ঠিক কইরা দিবো।’

আকলিমা নামের এক মহিলা বলেন, ‘পোড়া ঘরের সীমানায় বইসায়, রাত্রি কাটাইছি। দেখি আমাগোর জন্য সরকারে কী করে। তবে বিভিন্ন জনে খাবার দিয়ে যাচ্ছে।’

গত সোমবার ভোরের দিকে এ বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের কর্মীরা; কিন্তু ততক্ষণে পুড়ে ছাই সাততলা বস্তির কয়েক শ ঘর। তবে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনা তদন্তে ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক নুর হাসানকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তাঁরা তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এর আগে গত বছরের ২৪ নভেম্বর এই বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এ ছাড়া ২০১২, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে এই বস্তিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

পুনর্বাসনের বিষয়ে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. নাছির কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা মতে আমরা মেয়রের নির্দেশনায় কাজ করছি। প্রাথমিকভাবে তাদেরকে তাঁবু টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তিনবেলা খাবার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মেয়েদেরকে পাশের একটি স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামীকাল (আজ) থেকে মেয়রের ঘোষণা অনুসারে নগদ অর্থ ও টিন দেওয়ার কাজ চলবে।’

বনানী থানার ওসি নূরে আযম মিয়া বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের নির্দেশনা মতে পুনর্বাসনের কাজ চলছে। এছাড়া তাদের নিরাপত্তার জন্য সর্বদা পুলিশ সতর্ক রয়েছে।



সাতদিনের সেরা