kalerkantho

রবিবার । ৮ কার্তিক ১৪২৮। ২৪ অক্টোবর ২০২১। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

সংস্কৃতি খাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি সংস্কৃতি। রাষ্ট্রকে মানবিক ও সমাজকে সম্প্রীতির বাঁধনে আবদ্ধ করতে হলে সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিতেই হবে। কিন্তু সম্প্রতি জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি ক্ষেত্রে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তাতে আমরা বিস্মিত, হতবাক ও ক্ষুব্ধ। প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতে বরাদ্দ ০.০৯৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ১ শতাংশ করতে হবে।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট গতকাল মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানায়। জাতীয় বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়া জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জোটের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ।

লিখিত বক্তব্যের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন গণসংগীত সমন্বয় পরিষদের সভাপতি ফকির আলমগীর, সাংস্কৃতিক জোটের সহসভাপতি নাট্যব্যক্তিত্ব ঝুনা চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ফয়জুল আলম পাপ্পু, কবি আসলাম সানী, পথনাটক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ গিয়াস প্রমুখ।

লিখিত বক্তব্যে গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘দেশে যখন সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিগোষ্ঠীর অপতত্পরতা দৃশ্যমান হয় শুধু তখনই সবাই সাংস্কৃতিক প্রসারের কথা বলেন। কিন্তু এই সাংস্কৃতিক বিকাশ ও লালনের জন্য রাষ্ট্রের যে ভূমিকা থাকা দরকার তা রাখা হচ্ছে না। সে কারণেই বাজেট পাস হওয়ার আগে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে সংস্কৃতি ক্ষেত্রে বাজেট বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো কিছু দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাংস্কৃতিক জাগরণ গড়ে তুলতে প্রতিটি উপজেলায় সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণ; জেলা শিল্পকলা একাডেমির সভাপতি পদে জেলা প্রশাসকের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট জেলার বরেণ্য শিল্পী, সাহিত্যিক বা শিক্ষাবিদকে মনোনয়ন দেওয়ার বিধান চালু করা; রাজধানীসহ প্রতিটি জেলায় সরকারি উদ্যোগে একটি করে যাত্রা প্যান্ডেল নির্মাণ; ঢাকা শহরে প্রতি পাঁচ লাখ লোকের জন্য একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক মিলনায়তন নির্মাণ; প্রকৃত অসচ্ছল শিল্পীকে মাসে কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান; পাঁচ হাজার সাংস্কৃতিক সংগঠনকে বছরে এক লাখ টাকা করে আর্থিক অনুদান প্রদান; সংস্কৃতিকর্মীদের বিনা সুদে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান এবং আর্ট গ্যালারি ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের জন্য প্রতিটি জেলায় মিনি অডিটরিয়াম নির্মাণ।



সাতদিনের সেরা