kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

পাহাড়ে পানিসংকট

প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সরকারি উদ্যোগ জরুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাহাড়ে পানিসংকট নিরসনে প্রাকৃতিক বন-সম্পদ রক্ষা ও সম্প্রসারণে সরকারের উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা। গতকাল সোমবার ‘পানিসংকটে জুম পাহাড়ের মানুষ’ শীর্ষক এক ভার্চুয়াল সংলাপে অংশ নিয়ে তাঁরা পাহাড়ে পানির উৎস ঝরনা, ছড়া ও ঝিরিগুলো সুরক্ষায় তালিকা তৈরি করে সেগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনার অধীনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

আইপিনিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আন্তোনি রেমার সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল সংলাপে অংশ নেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার উন্নয়ন সংস্থা জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, প্রাণবৈচিত্র্য গবেষক পাভেল পার্থ, বান্দরবানের সাংবাদিক বুদ্ধজ্যোতি চাকমা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অনুরাগ চাকমা, রাঙামাটির মানবাধিকারকর্মী অ্যাডভোকেট সুস্মিতা চাকমা, বান্দরবানের উন্নয়ন সংস্থা হিউমেনিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মং মং সিং মারমা, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রগ্রাম ম্যানেজার জাহেদ হাসান প্রমুখ।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, পানি যেখানে থাকবে না, সেখানে জীবন থাকবে না। কাজেই পানিসংকট যেহেতু চলে আসছে, পাহাড়ে আরো নানা সংকট তৈরি হবে। তাই পাহাড়ের যে জায়গায় পানির তীব্র সংকট আছে, যে ঝিরি ও ঝরনাগুলোর পানি শুকিয়ে যাচ্ছে, সেগুলোর তালিকা তৈরি করে সেগুলোর সার্ভে, অবস্থান ও শুকিয়ে যাওয়ার প্রভাব নিরূপণ করা জরুরি।

মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, ‘প্রতিবছরই পাহাড়ের মানুষগুলোকে এই সংকটে পড়তে হয়। এর মূল কারণ হলো পাহাড়ে আগেকার দিনে বড় বড় গাছ ছিল। পাহাড় না কেটে আমরা ঘরবাড়ি তৈরি করতাম। ছড়াগুলো ছন্দময় ছিল। ছড়ার পাথর তোলা, গাছ বিক্রি করা অকল্পনীয় ছিল। কিন্তু এখন বন উজার হয়ে যাচ্ছে। জঙ্গল আগের মতো সবুজ নেই। চারদিকে ন্যাড়া পাহাড়। যার কারণে পাহাড়ে এখন পানির সংকট।’

অধ্যাপক অনুরাগ চাকমা বলেন, পানিসংকটের মূলে অনাবৃষ্টি। তবে মানুষের পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রমও দায়ী। প্রাকৃতিক বন উজার হয়ে যাওয়ার ফলে পানি কাঠামো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।



সাতদিনের সেরা