kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩ ডিসেম্বর ২০২০। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২

ধর্ষণ মামলায় ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতা রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণ ও ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের দুই নেতাকে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। তাঁরা হলেন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম ও ঢাবি শাখার সহসভাপতি নাজমুল হুদা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর করা মামলায় গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়ার আদালত এ আদেশ দেন।

গতকাল আদালতে তোলার পর দুই আসামিকে সাত দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত শুনানি শেষে দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় এই দুই নেতার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক শিক্ষার্থী এই দুজন ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বাদীকে শারীরিক সম্পর্কের ইঙ্গিত দেন। একপর্যায়ে মামুন তাঁকে লালবাগের বাসায় যেতে বলেন। সেখানে মামুন তাঁকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন। পরে বাদী অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং আরেক আসামি নাজমুল হাসান সোহাগের মাধ্যমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। অন্যদিকে মামুন আত্মগোপনে যান।  আসামি নাজমুল জানান, তিনি মামুনের সঙ্গে বাদীর সাক্ষাৎ করিয়ে দেবেন। এই প্রতিশ্রুতিতে তিনি বাদীকে লঞ্চে করে চাঁদপুর নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর মামুনকে দেখতে না পেয়ে বাদীর সন্দেহ হয়। তখন নাজমুলকে দ্রুত ঢাকায় ফেরার জন্য বলেন তিনি। নাজমুল বাদীকে নিয়ে বিকেলে লঞ্চের কেবিনে ওঠেন। এরপর সেখানে বাদীকে ধর্ষণ করেন। বাদী এসব ঘটনা ২০ জুন নুরুল হক নুরকে মৌখিকভাবে জানান। নুরুল হক বাদীকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর ২৪ জুন নুরুল হক বাদীকে নীলক্ষেত এলাকায় দেখা করতে বলেন। সেখানে যাওয়ার পর নুরুল হক বাদীকে বাড়াবাড়ি না করতে নিষেধ করেন এবং বাদীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর হুমকি দেন।

মন্তব্য