kalerkantho

রবিবার । ১০ মাঘ ১৪২৭। ২৪ জানুয়ারি ২০২১। ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২

উত্তরে ভাঙনের খেলা চলছেই

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের উত্তরাঞ্চলের অনেক এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেলেও দুর্ভোগ কমেনি। এমনকি বন্যা পরবর্তী ভাঙনের কারণে অনেক এলাকায় দুর্ভোগের মাত্রা বেড়ে গেছে। গাইবান্ধার অনেক এলাকা এখনো পানিতে তলিয়ে আছে। রংপুরে ভাঙনের কারণে হুমকিতে পড়েছে একাধিক সড়ক।

গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়ী উপজেলায় করতোয়ার পানি ধীর গতিতে কমছে। কিন্তু সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। গতকাল বিকেল ৩টায় করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালী পয়েন্টে বিপত্সীমার ৬২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার পাঁচটি ওয়ার্ডসহ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন এখনো পানির নিচে। গোবিন্দগঞ্জে ২৭ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী এবং সাদুল্যাপুর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের ছয়টি ইউনিয়ন এখনো পানির নিচে। ঘাঘট নদের পানি নেমে গেলেও ওই সব এলাকায় বিলে পানি আটকে যাওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল দিনভর বৃষ্টিতে বানভাসিরা চরম বিপাকে পড়ে। চতুর্থ দফার এই বন্যায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় প্রায় তিন হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে।

এদিকে বন্যার কারণে এক সপ্তাহ ধরে ভারী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে গোবিন্দগঞ্জের ভেতর দিয়ে যাওয়া ঢাকা-দিনাজপুর সড়কে। এখনো বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রংপুর অফিস জানায়, শেখ হাসিনা গঙ্গাচড়া সেতুর মহিপুর-কাকিনা সংযোগ সড়কে ফের ভাঙন দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে সড়কটির প্রায় ১০০ ফুট ধসে গেছে। এতে করে যেকোনো সময় লালমনিরহাট জেলার কাকিনার সঙ্গে রংপুরের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, তিস্তার মূল প্রবাহ সেতুর নিচ দিয়ে না গিয়ে দুটি নতুন চ্যানেলে প্রবাহিত হচ্ছে। এই দুটি গতিপথ ভয়ংকর হয়ে ওঠায় নদীতে বিলীন হচ্ছে দুই পারের ঘরবাড়িসহ অনেক স্থাপনা। সংযোগ সড়কে বালুর বস্তা ফেলা হলেও তা একেবারেই অপ্রতুল বলে মনে করে এলাকাবাসী।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, ‘বালুর বস্তা ফেলে সড়কটি রক্ষা করা যাবে না।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা