kalerkantho

মঙ্গলবার । ৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৪ নভেম্বর ২০২০। ৮ রবিউস সানি ১৪৪২

যোগাভ্যাস

অ্যাংকেল বেন্ড

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অ্যাংকেল বেন্ড

শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো গোড়ালির পেশি ও অস্থিসন্ধি সচল রাখতে এবং ব্যথা-বেদনার হাত থেকে রেহাই পেতে নিয়ম করে আসন করা দরকার। চেয়ারে বসে অ্যাংকেল বেন্ড আসন অভ্যাস করলে গোড়ালির অস্থিসন্ধি ও পেশির জোর বাড়ে। ফলে পা থাকে বলিষ্ঠ। হাঁটাচলার সময় শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সুবিধা হয়।

পদ্ধতি

১. চেয়ারে সোজা হয়ে বসে মাথা ও ঘাড় টান টান রাখুন। দুই হাত রাখুন কোলের ওপর। চোখ বন্ধ করে মন শান্ত রেখে বসুন। এই হলো আসনটি শুরুর অবস্থান।

২. এবারে চেয়ারের দুই পাশ শক্ত করে ধরুন। পা ছড়িয়ে ব্যায়ামটি করার জন্য বয়স্ক মানুষদের হাতে ভর দেওয়ার দরকার হতে পারে।

৩. দুই পা সামনে যতটা সম্ভব বাড়িয়ে দিন। পিঠ, কোমর বা ঘাড় যেন বেঁকে না যায় খেয়াল রাখবেন। হাঁটুও সোজা থাকবে।

৪. এই অবস্থানে শ্বাস নিতে নিতে গোড়ালিতে ভর দিয়ে দুই পায়ের পাতা একসঙ্গে উঁচু করুন। পায়ের আঙুল থাকবে ওপরের দিকে। এই অবস্থানে গোড়ালি মাটিতে থাকবে। গোড়ালিতে ব্যথা থাকলে নিচে পাতলা কুশন রাখতে পারেন।

৫. এবারে শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে গোড়ালি মাটি থেকে উঁচু করে পায়ের আঙুলে ভর দিন।

৬. দুটি অবস্থান মিলে এক রাউন্ড হলো। এভাবে পাঁচ-সাত রাউন্ড অভ্যাস করতে হবে। প্রতিটি অবস্থানে কয়েক সেকেন্ড থাকতে হবে। আসনটি অভ্যাস করার সময় খেয়াল রাখবেন গোড়ালি এবং পায়ের আঙুল যেন মাটি থেকে সরে না যায়।

৭. প্রতিদিন কাজের ফাঁকেও পায়ের গোড়ালি বাঁকানোর এই আসনটি অভ্যাস করে নিতে পারেন। যাঁরা দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে কাজ করেন তাঁদের জন্যও এই যোগাসনটি অত্যন্ত উপযোগী।

উপকারিতা

নিয়মিত অ্যাঙ্কেল বেন্ড অর্থাৎ পায়ের গোড়ালি বাঁকানোর আসন অভ্যাস করলে পায়ের পাতা ও গোড়ালিতে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। পেশি ও গোড়ালির অস্থিসন্ধি দৃঢ় ও সচল থাকে। সিন বোন এবং কাফ মাসলের সুস্থতা বজায় থাকে। ফলে হাঁটাচলা করার সময় ভারসাম্যের অভাব বা পায়ের ব্যথা থেকে রেহাই পাওয়া যায়। এ ছাড়া গোড়ালিতে জল জমা বা ফুলে যাওয়ার সমস্যা থাকলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

মন্তব্য