kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন

আগস্টে সড়ক, নৌ ও রেলপথে ঝরেছে ৫৫৩ প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সড়ক-মহাসড়ক, নৌ ও রেলপথে গত আগস্ট মাসে ৪৪৪টি দুর্ঘটনায় ৫৫৩ জনের প্রাণ ঝরেছে। এর মধ্যে সড়ক-মহাসড়কে ৩৮৮টি দুর্ঘটনায় ৪৫৯ জন নিহত ও ৬১৮ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। গতকাল বুধবার সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এসংক্রান্ত প্রতিবেদন গণমাধ্যমে পাঠান।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৯৮ জন চালক, ১২৫ জন পথচারী, ৮০ জন নারী, ৪৪টি শিশু, ৩৮ জন শিক্ষার্থী, ২২ জন পরিবহন শ্রমিক, ছয়জন পুলিশ, একজন বিমানবাহিনীর সদস্য, একজন সিআইডি ও একজন সেনাবাহিনীর সদস্য রয়েছেন। এ ছাড়া ৯ জন শিক্ষক, আটজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, তিনজন চিকিৎসক, একজন সাংবাদিক ও একজন প্রকৌশলীর পরিচয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে।

একই সময়ে রেলপথে ১৫টি দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছে। নৌপথে ৪১টি দুর্ঘটনায় ৮০ জন নিহত ও ৫২ জন আহত এবং ৩১ জন নিখোঁজের সংবাদ পাওয়া গেছে। সড়ক, রেল ও নৌপথে সম্মিলিতভাবে ৪৪৪টি দুর্ঘটনায় ৫৫৩ জন নিহত ও ৬৬৯ জন আহত হয়েছে।

মোট দুর্ঘটনার ৫২.৮৩ শতাংশ গাড়িচাপা, ২৭.৮৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৩.৯১ শতাংশ খাদে পড়ে, ৪.৮৯ শতাংশ বিবিধ কারণে, ০.২৫ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষ এবং শূন্য দশমিক ২৬ শতাংশ চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগস্ট মাসে মোট দুর্ঘটনার ৪৮.৯৬ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২৮.৮৬ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ১৪.৬৯ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এ ছাড়া সারা দেশে মোট দুর্ঘটনার ৫.১৫ শতাংশ ঢাকা মহানগরে, ২.০৬ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরে ও ০.২৫ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দীর্ঘ ‘লকডাউনে’ গণপরিবহন বন্ধ থাকার সুযোগে নগরের প্রধান প্রধান সড়ক ও জাতীয় মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা, ইজি বাইক উঠে আসায় এবং বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। মোটরসাইকেলের সংখ্যা ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি ও বেপরোয়া চলাচল সড়ক নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা