kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ফরিদের সঙ্গে ছাই পরিবারের স্বপ্নও

কিশোরগঞ্জ ও পাকুন্দিয়া প্রতিনিধি   

১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফরিদের সঙ্গে ছাই পরিবারের স্বপ্নও

পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন শেখ ফরিদ (২২)। ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিও। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহকারী পদে মাস্টার রোলে (দৈনিক মজুরিভিত্তিক) কাজ করতেন। কয়েক দিন পরেই চাকরি স্থায়ী হওয়ার কথা ছিল। তাঁর হাত ধরেই ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল পরিবারটি। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। ছয় দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে হার মানলেন কিশোরগঞ্জের শেখ ফরিদ। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

গত শুক্রবার নারায়ণগঞ্জে বায়তুস সালাত জামে মসজিদে  দগ্ধ হন শেখ ফরিদও। শেখ ফরিদ কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চরপাড়াতলা গ্রামের সবজি বিক্রেতা এমদাদুল হকের ছেলে। তিনি বলেন, ‘ভিটেমাটি আর থাকার মতো ভাঙাচোরা একটা ঘর ছাড়া কিছুই নেই। হাটের দিন বাজারে কাঁচামাল বিক্রি করে যা লাভ পাই, তা দিয়েই কোনো রকমে সংসার চলে। শেখ ফরিদ চাকরি পাওয়ায় অভাবের সংসারে আশার আলো দেখা দেয়। কিন্তু তার অকাল মৃত্যুর সঙ্গে নিমিষেই সব স্বপ্ন ভেঙে গেল। ছোট ছোট চার ছেলে-মেয়ে নিয়ে আবারও আমি অন্ধকারে পড়ে গেলাম।’

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হাসান বলেন, ‘ডিসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে নিহতের পরিবারকে সহযোগিতা করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা