kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

‘ভারতের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক’

মেহেরপুর প্রতিনিধি   

৯ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের রূপ স্পষ্ট করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক এবং চীনের সঙ্গে আমাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক। সম্প্রতি চীন আমাদের দেশের প্রায় আট হাজারেরও বেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। এটা আমাদের জন্য বড় পাওয়া। এই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না।’ গতকাল শনিবার সকালে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে আমাদের নাড়ির সম্পর্ক। স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা রক্তের সম্পর্ক সৃষ্টি করেছে। আগামী বছর আমরা ৫০ বছর পূর্তি (বাংলাদেশের স্বাধীনতার) উৎসব করব। আমাদের বিজয়, ভারতের বিজয়। আমাদের উন্নয়ন, ভারতের উন্নয়ন। ভারতের সঙ্গে যেমন আমাদের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে, তেমনি চীনের সঙ্গেও আছে। ইতিমধ্যে চীন আমাদের দেশে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে চীন-ভারত উত্তেজনায় বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। আমরা সবাই মিলে যৌথভাবে কাজ করব।’

বঙ্গবন্ধুর বাকি খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর খুনিরা যাঁরা এখনো দেশের বাইরে পলাতক আছেন তাঁদের দেশে ফিরিয়ে এনে এই মুজিববর্ষেই বিচার করা হবে ইনশাআল্লাহ। এ জন্য আমরা জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। যেহেতু এটা অন্য দেশের ওপরও নির্ভর করে তাই একটু বিলম্ব হচ্ছে।’

ড. মোমেন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পাঁচ পলাতক খুনির মধ্যে দুজনের অবস্থান আমরা জানি; একজন যুক্তরাষ্ট্রে এবং একজন কানাডায় অবস্থান করছে। তাদের ফেরত আনার জন্য সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অবশিষ্ট তিনজন খুনির অবস্থান আমরা এখনো জানি না। তাদের অনুসন্ধান করার জন্য ইতিমধ্যে বাংলাদেশের সব বৈদেশিক মিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা