kalerkantho

শুক্রবার । ১৯ আষাঢ় ১৪২৭। ৩ জুলাই ২০২০। ১১ জিলকদ  ১৪৪১

মসজিদে আপাতত নয়

সরকারের সিদ্ধান্তে আল্লামা শফীর সমর্থন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তার ঠেকাতে মসজিদে আপাতত না যেতে সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছে, তার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। তিনি বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে জীবন বাঁচানোর স্বার্থে সরকারের দেওয়া অন্য সব নির্দেশনা পালনের জন্যও দেশের মুসলমানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম ছাড়া অন্য সব মুসল্লিকে সরকারের পক্ষ থেকে নিজ নিজ বাসস্থানে নামাজ আদায় এবং জুমার জামাতে অংশগ্রহণের পরিবর্তে বাসায় জোহরের নামাজ আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপাসনালয়ে নয়, নামাজ-প্রার্থনা যার যার বাসায়, জামাত ও জুমার উপস্থিতিকে সীমিত রাখার এই নির্দেশনা শরিয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক ও যথার্থ বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন হেফাজত আমির।

হেফাজতের প্রচার সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আনাস মাদানীর পাঠানো বিবৃতিতে শফী বলেন, ‘সরকার কর্তৃক জারি করা নির্দেশনাকে মূল্যায়ন করা ও তা উত্তমরূপে গ্রহণ করা মানবতার কল্যাণে আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য।’

কোরআনের সুরা বাকারা ও সুরা নিসা থেকে দুটি আয়াত উদ্ধৃত করে আহমদ শফী বলেন, ‘ইসলাম নিজের বা অন্যের ক্ষতির কারণ হওয়াকে সমর্থন করে না, বরং নিষেধ করে। সতর্কতা ও সচেতনতা ইসলামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যেকোনো আশু ক্ষতি থেকে সতর্ক থাকা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান।’

চলমান সংকটময় পরিস্থিতির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বিশ্ব আজ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। আমাদের দেশও বর্তমানে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। বর্তমান চিত্র ভয়াবহরূপ নিয়েছে।’

‘সতর্কতার জন্য সরকার উলামায়ে কেরামের সঙ্গে পরামর্শ করে যেকোনো ধরনের বড় জমায়েতকে নিষেধ করেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার আদেশ দিয়েছে। জামাত ও জুমার উপস্থিতিকে সীমিত রাখার আদেশ জারি করেছে।’

‘শরিয়াহর দৃষ্টিতে এসব সতর্কতামূলক নির্দেশনা সঠিক ও যথার্থ। সরকার কর্তৃক জারি করা নির্দেশনাকে মূল্যায়ন করা এবং তা উত্তমরূপে গ্রহণ ও পালন করা মানবতার কল্যাণে আমাদের অপরিহার্য কর্তব্য।’

মন্তব্য