kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

ডিইপিজেডের এ ওয়ান গার্মেন্টে বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)   

৩১ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ডিইপিজেড) এ ওয়ান গার্মেন্টে তিন মাস ধরে বেতন না দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি। সংগঠনের নেতারা বলছেন, কারখানার তিন ইতালিয়ান মালিক করোনায় মারা যাওয়ায় বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সেখানকার শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে বেপজা ও সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, সাধারণ সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শামা গতকাল এক বিবৃতিতে এ অবস্থান তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, কিছু কারখানা বন্ধ, কিছু খোলা আছে—এ অবস্থায় শ্রমিকাঞ্চলে ছাঁটাই ও বেতন না পাওয়ার ভীতি ও অনিশ্চয়তার বিস্তার ঘটেছে। একই সঙ্গে বেশির ভাগ কারখানা আগাম বেতন না দেওয়ায় শ্রমিকরা দুর্ভোগে পড়েছে। দোকানপাট বন্ধ থাকা, মজুদদারি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ঘটনা তাঁদের অনিশ্চয়তা আরো বৃদ্ধি করেছে।

সংগঠনের নেতারা জানান, গতকাল সকাল থেকে হেমায়েতপুরে পলো গার্মেন্টে শ্রমিকদের কাজ চালু রাখা হয়। পরে শ্রমিকদের কার্ড রেখে এক মাসের বেতন দেওয়া হয়। কার্ড রেখে দেওয়ায় কর্মচ্যুতির আশঙ্কায় শ্রমিকরা প্রতিবাদ জানান। পরে কর্তৃপক্ষ কার্ড ফেরত দিতে বাধ্য হয়।

গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির নেতারা বলেন, পোশাক কারখানায় বেশির ভাগ শ্রমিক বেতন না পাওয়ায় অনিশ্চয়তা-আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে তাঁদের। এই বিপদকালে যাতে কোনো শ্রমিক ছাঁটাই না হন এবং বেতনবঞ্চিত না হন সে বিষয়ে সরকার, মালিক ও বিদেশি বায়ার কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

শ্রমিক এলাকায় মাস্ক, স্যানিটাইজার, সাবান ও খাদ্য সহায়তা প্রদান

গত ২৪ মার্চ থেকে গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি পোশাক শ্রমিক এলাকায় মাস্ক, স্যানিটাইজার, সাবান ও খাদ্য সহায়তা প্রদান শুরু করেছে। ইতিমধ্যে আশুলিয়ায় ৭০৮ জনের মধ্যে সাবান, স্যানিটাইজার, মাস্ক ও খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। রবিবার সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার আশপাশের এলাকায়, চাপাইন, ব্যাংক কলোনি, হেমায়েতপুর অঞ্চলে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। শ্রমিকাঞ্চলে এই সহায়তা প্রদানের কাজ অব্যাহত থাকবে বলে তাঁরা ঘোষণা দেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা