kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ক্লোরোকুইন সংগ্রহে রাখছে সরকার

রপ্তানি বন্ধ করল ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্রয়োজনে ব্যবহারের লক্ষ্যে সরকার এক লাখ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইন ওষুধ হাতে রেখেছে। ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর এরই মধ্যে এই ওষুধ সংগ্রহ করেছে। এ ছাড়া যেসব দেশীয় কম্পানি এই ওষুধ তৈরি করছে তাদেরকে উৎপাদন বাড়ানোসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে এই ওষুধ তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের মহাসচিব ডা. আহমেদুল কবির কালের কণ্ঠকে বলেন, বেশ কিছু দেশে করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসায় ম্যালেরিয়া জ্বরে ব্যবহৃত হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইনের সঙ্গে এজিথ্রোমাইসিন সাত দিন খাওয়ানোতে সফলতা দেখা যাচ্ছে। আমাদের এখানে এই ওষুধ খুবই কম দামে পাওয়া যায়। তাই এটি প্রয়োজনে প্রয়োগ করা যায়।

এদিকে ভারতে করোনাভাইরাসের দ্রুত সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। ঘরোয়া বাজারে যাতে ওষুধটির অভাব না হয় সে জন্য গতকাল থেকেই সেখানে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।

গতকাল বুধবার ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চের (আইসিএমআর) ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গব গত সোমবার জানান, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ওষুধ হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রাথমিকভাবে কমাতে পারে। তাই যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বা করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাঁদের চিকিৎসায় থাকা স্বাস্থ্যকর্মীরা এই ওষুধ ব্যবহার করতে পারেন।

আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল আরো জানান, গণহারে নয়, সরাসরি করোনা রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন, কিন্তু এখনো রোগের উপসর্গ দেখা দেয়নি তাঁরাই এই ওষুধ গ্রহণ করবেন। যেমন করোনা রোগীর চিকিৎসা করছেন এমন ডাক্তার, নার্স, অন্যান্য সেবাকর্মী এবং কেয়ার গিভার; অর্থাৎ হোম আইসোলেশনে থাকা রোগীর সেবা করছেন যাঁরা। তবে তাদের বয়স হতে হবে ১৫ বছরের বেশি এবং তাদের হার্টের কোনো সমস্যা থাকলে চলবে না। তবে তার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা