kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

থানা হেফাজতে জনিকে হত্যা

আসামির পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর পল্লবী থানায় নিয়ে মো. ইশতিয়াক হোসেন জনি নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় আসামি পুলিশের সোর্স সুমনের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সুমনের পক্ষে তাঁর আইনজীবী যুক্তিতর্ক শুনানি করেন। কিন্তু শুনানি শেষ না হওয়ায় ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ আগামী রবিবার আবার শুনানির দিন ধার্য করেন। এসআই জাহিদের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুনানি অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে গত কয়েক দিন ধরে মামলার অন্যতম আসামি এসআই জাহিদ, এএসআই রাশেদের পক্ষে শুনানি হয়। গত ৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের পর যুক্তিতর্ক শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়। এই মামলায় মোট ২২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হওয়ার পরই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য করা হবে।

২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ১১ নম্বর সেক্টরে স্থানীয় সাদেকের ছেলের গায়েহলুদ অনুষ্ঠান চলাকালে পুলিশের সোর্স সুমন মেয়েদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন। তখন জনি ও তাঁর ভাই সুমনকে চলে যেতে বলেন। সুমন চলে গেলেও পরদিন আবার এসে আগের মতো আচরণ করেন। তখন জনি ও তাঁর ভাই সুমনকে আবারও চলে যেতে বললে সুমন পুলিশকে ফোন করেন। পুলিশ এসে জনিকে ধরে নিয়ে যায়।

থানায় নিয়ে জনিকে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে জনির অবস্থা খারাপ হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা আরো খারাপ হওয়ায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় ২০১৪ সালের ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে নির্যাতন ও পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে পল্লবী থানার ওসি জিয়াউর রহমানসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন জনির ছোট ভাই ইমতিয়াজ হোসেন রকি। মামলার অন্য আসামিরা ছিলেন পল্লবী থানার তত্কালীন এসআই জাহিদুর রহমান জাহিদ, এসআই আবদুল বাতেন, এসআই রাশেদ, এসআই শোভন কুমার সাহা, কনস্টেবল নজরুল এবং পুলিশের সোর্স  সুমন ও রাসেল।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা