kalerkantho

সোমবার । ২৩ চৈত্র ১৪২৬। ৬ এপ্রিল ২০২০। ১১ শাবান ১৪৪১

কুষ্টিয়ার কুমারখালী

ছাত্রীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতে বাধ্য করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া   

১১ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাত্রীকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতে বাধ্য করার অভিযোগ

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোর করে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ধর্ষণের কারণে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল। বর্তমানে সে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা গত রবিবার কুমারখালী থানায় মামলা করলেও গতকাল পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

মামলা করার পর ধর্ষণ ও সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বাকে জোর করে গর্ভপাত করানোর বিষয়টি সামনে আসে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, গত ২৬ জুলাই ওই ছাত্রী বাড়িতে একা ছিল। ওই সময় প্রতিবেশী ও দুই সন্তানের বাবা মুস্তাক (৩০) তাকে ধর্ষণ করেন। সঙ্গে হুমকি দেন, এ ঘটনা প্রকাশ করলে পরিবারের সবাইকে হত্যা করবেন তিনি। আর এই হুমকি দিয়ে তিনি একাধিকবার ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর ওই ছাত্রী পরিবারের কাছে বিষয়টি খুলে বলে।

এর মধ্যে কয়েক দিন আগে মুস্তাক, তাঁর ভাই মানিক (৪০), রশিদ (৫৬), শুকুর (৪৯) ও বোন মনোরা খাতুন (৩৩) ওই ছাত্রীকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে যান। এরপর জোর করে গর্ভপাত করান। ভুক্তভোগীর মায়ের ভাষ্য, গর্ভপাতে সহযোগিতা করেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের পরিবার কল্যাণ সহকারী আরেনা খাতুন ভরসা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নার্স শেফালী বেগম। তবে দুজনই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা