kalerkantho

সোমবার  । ১৬ চৈত্র ১৪২৬। ৩০ মার্চ ২০২০। ৪ শাবান ১৪৪১

রাজশাহীতে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ

শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মো. দুরুল হুদার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে অভিযোগটির নিষ্পত্তি না পাওয়া পর্যন্ত তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি শ্লীলতাহানির শিকার ছাত্রীটির স্কুলে আসা-যাওয়া নির্বিঘ্ন ও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘শ্লীলতাহানির শিকার মেয়েটি স্কুলে যেতে পারছে না, অভিযুক্ত শিক্ষক জামিনে’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে এ রিট আবেদন করা হয়।

আদালত অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার পাশাপাশি রুল জারি করেছেন। রুলে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠা শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বিবাদীর ব্যর্থতা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, রাজশাহীর পুলিশ সুপার, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের প্রশাসক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও অধ্যক্ষ, রাজশাহীর মতিহার থানার ওসি ও অভিযোগ ওঠা শিক্ষক মো. দুরুল হুদাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষক দুরুল হুদার বিরুদ্ধে ছাত্রীর মা শ্লীলতাহানির অভিযোগে গত বছর ২০ অক্টোবর মতিহার থানায় মামলা করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৬ অক্টোবর রাতে ছাত্রীর বাসায় পড়াতে আসেন দুরুল হুদা। পড়া শেষে বাড়ি দেখার নাম করে ছাত্রীকে স্টোররুমে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন তিনি। এ সময় ছাত্রীর চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গেলে শিক্ষক পালিয়ে যান। পরে শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকার পর গত ১২ ডিসেম্বর জামিনে বেরিয়ে আসেন দুরুল হুদা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা