kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

হুমকিতে দুই গ্রামের মানুষ

গঙ্গাচড়ায় অসময়ের ভাঙনে তিস্তা প্রতিরক্ষা বাঁধ বিলীন

রংপুর অফিস   

১৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রংপুরের গঙ্গাচড়ায় অসময়ে তিস্তার ভাঙনে ডানতীর রক্ষা বাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। হুমকিতে পড়েছে দুই গ্রামের প্রায় তিন হাজার পরিবারসহ ৩০০ একর জমির উঠতি ফসল। ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী জানায়, গঙ্গাচড়ার নোহালী ইউনিয়নের ফোটামারী গ্রামে কয়েক দিন ধরে অসময়ে (শুষ্ক মৌসুমে) ভাঙন দেখা দেয়। অব্যাহত ভাঙনে ওই গ্রামের তিস্তা রক্ষা ডানতীর বাঁধের প্রায় ৬০০ ফুট অংশ ভেঙে গেছে। বাঁধের ধারে কয়েকটি বিদ্যুতের খুঁটিও ঝুঁকিতে রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধের ব্যবস্থা করা না গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পুরো বাঁধ ভেঙে তিস্তার পানিতে তলিয়ে নষ্ট হবে ৩০০ একর জমির উঠতি ফসল। এ ছাড়া ফোটামারী ও কুমারপাড়া গ্রামের প্রায় তিন হাজার পরিবারের ঘরবাড়ি তলিয়ে যাবে।

গতকাল সোমবার ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভাঙন শুরু হয়েছে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে (মূল বাঁধ)। ফোটামারী টিহেড গ্রয়িং থেকে ফোটামারী আলসিয়াপাড়া স্পার পর্যন্ত এক কিলোমিটারের বেশি এলাকাজুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বাঁধটি ভেঙে গেলে তিস্তার পানি ঘাঘট নদের পানির সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরো বেশ কিছু এলাকাসহ রংপুর শহরে পানি প্রবেশ করবে বলে আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কয়েক দিনের ভাঙনে বাঁধটি প্রায় বিলীনের পথে; কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যানকে জানানোর পরও ভাঙন রোধে তিনি ব্যবস্থা নেননি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেউ এলাকায় আসেনি। এখনই বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে তিস্তার পানিতে দুই গ্রামের কয়েক হাজার পরিবারসহ উঠতি ফসলসহ আবাদি জমি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাবে। এ ছাড়া বাঁধ ভেঙে তিস্তার পানি ঘাঘট নদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রংপুর শহরে ঢুকবে।

ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ টিটুল জানান, বাঁধটি রক্ষা করা না গেলে বিস্তীর্ণ এলাকার ক্ষয়ক্ষতি হবে।

এ ব্যাপারে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন, ‘ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙন রোধের জন্য বরাদ্দ চেয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই কাজ করা হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা