kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

আচরণবিধি লঙ্ঘন : আ. লীগ প্রার্থীর মুচলেকা

‘উঠাইয়া ফেলছি, একটা পোস্টারও রাখি নাই’

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘উঠাইয়া ফেলছি, একটা পোস্টারও রাখি নাই। এটা আমি করি নাই, আমার লোকেরা লাগাইয়া ফেলছে। ২০-৩০টা পোস্টার হবে। সবগুলা ওরা তুইলা ফেলছে। রিটার্নিং অফিসারের কাছে ভুল স্বীকার কইরা লিখিতও দিয়া আইছি। আর এমনটা হইব না।’ কথাগুলো বলছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) সংরক্ষিত ১২ নম্বর মহিলা আসনের আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী শেফালী রানী মল্লিক। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক।

তিনি আরো বলেন, ‘আমি তৃণমূলের আওয়ামী লীগ কইরা এই পর্যন্ত আসছি। এর লাইগ্যা ভুল করা ঠিক মনে করি না।’ এ সম্পর্কে দক্ষিণের রিটার্নিং অফিসার আবদুল বাতেন বলেন, ‘অভিযোগ আসার পরে তা আমলে নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়। পরে সত্যতা পাওয়ায় ওই প্রার্থীকে শোকজ করা হলে অফিসে এসে লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন এবং সন্ধ্যা ৭টায় (গতকাল) পোস্টার তুলে ফেলার ওয়াদা করায় প্রথমবারের মতো মুচলেকা নিয়ে ছাড়া হয়। যদি না উঠান, পরবর্তী সময়ে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জানা যায়, দক্ষিণের ১২ নম্বর মহিলা সংরক্ষিত আসনটি ৩৫, ৩৬ ও ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। গত সোমবার দক্ষিণের রিটার্নিং অফিসার বরাবর একটি অভিযোগ করেন তাঁতীবাজারের বাসিন্দা আল-আমীন। তিনি এলাকাবাসীর পক্ষে অভিযোগ দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। অভিযোগে বলা হয়, শেফালী রানী এবং তাঁর কর্মীরা নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে তাঁতীবাজার, মালিটোলাসহ এলাকার বিভিন্ন জায়গায় ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টার লাগিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন।

অভিযোগকারী আল-আমীন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নির্বাচনে সব প্রার্থী সমান সুযোগ পাবেন। কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সাধারণ ভোটার হিসেবে তা মেনে নিতে পারি না। তাই অভিযোগ করেছি। কমিশন সতর্ক করায় অন্যরা সচেতন হবেন।’ অভিযোগ সম্পর্কে শেফালী রানী কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি ক্ষমা চেয়েছি, এমনটা আর হবে না।’

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার পর তাঁতীবাজার, মালিটোলাসহ ওই নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তাঁতীবাজার এলাকার সব পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হলেও একেবারে তুলে ফেলা হয়নি। এ ছাড়া তাঁতীবাজার মোড়, কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ও তাঁতীবাজার পুলিশ ফাঁড়ির অপর পাশে শেফালী রানীর পোস্টার ঝুলছিল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা