kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি

কালের কণ্ঠ-ওরিয়ন ফার্মার গোলটেবিল বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা সঠিক ব্যবস্থাপনা জরুরি

ইডাব্লিউএমজিএল মিলনায়তনে গতকাল অনুষ্ঠিত হয় ‘ক্যান্সার পরিস্থিতি সচেতনতা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক। আয়োজক ছিল কালের কণ্ঠ এবং ওরিয়ন ফার্মা। ছবি : কালের কণ্ঠ

সচেতনতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনা ক্যান্সার প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ক্যান্সারসহ যেকোনো রোগ প্রতিরোধ করা গেলে চিকিৎসার প্রয়োজন কমে যায়। দেশে ক্যান্সার চিকিৎসা, ওষুধ ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আগের তুলনায় অনেকটা এগোলেও এখনো পর্যাপ্ত নয়। প্রচলিত ব্যবস্থায় মানুষের হয়রানি যেমন আছে তেমনি আছে নানা সংকট। এসব কাটিয়ে দেশে ক্যান্সার থেকে সুরক্ষামূলক কার্যক্রম আরো কার্যকর ও জোরালো করতে হবে। গতকাল রবিবার কালের কণ্ঠ ও ওরিয়ন ফার্মার আয়োজনে এক গোলটেবিল বৈঠকে উঠে আসে এমন পর্যবেক্ষণ ও প্রত্যাশার কথা।

কালের কণ্ঠ সম্পাদক ও ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের পরিচালক ইমদাদুল হক মিলনের সঞ্চালনায় কালের কণ্ঠ’র কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত ‘ক্যান্সার পরিস্থিতি : সচেতনতা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার মোয়াররফ হোসেন।

স্বাগত বক্তব্যে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘কালের কণ্ঠ বরাবরই জনস্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করে। আলোচনায় উঠে আসা সুপারিশগুলো ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে যাবে আশা করি।’

মূল প্রবন্ধে মোয়াররফ হোসেন বলেন, বিশ্বব্যাপী রোগে ভুগে মৃত্যুর দ্বিতীয় শীর্ষ কারণ হচ্ছে ক্যান্সার। প্রতি ছয়জনে একজন ক্যান্সারের কারণে মারা যান। স্বাস্থ্যসচিব মো. আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া বিশ্বব্যাপীই একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আর আমাদের মতো কম আয়ের মানুষের দেশে এটা আরো বড় চ্যালেঞ্জ।’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাক্তার কনক কান্তি বড়ুয়া বলেছেন, ‘আমাদের দেশে রোগীর তুলনায় ডাক্তার খুবই কম। মাত্র ১২০ জন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ দিয়ে ক্যান্সার চিকিৎসায় আশানুরূপ চিকিৎসা সম্ভব নয়।’

সাবেক সংসদ সদস্য ও ক্যান্সার সারভাইভার কাজী রোজী তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, ‘আমি দীর্ঘ ২৬ বছর যাবৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত। মনের জোর আর নিয়মিত চিকিৎসার কারণে আমি টিকে আছি।’

বৈঠকে অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও এনসিডিসি মাল্টিসেক্টরাল কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী, প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পেলিয়েটিভ কেয়ার বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন আহমদ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মো. মফিজুর রহমান, অধ্যাপক ডা. নাজরীনা খাতুন, স্কয়ার হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, ডেলটা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. কাজী মনজুর কাদের, হিস্টোপ্যাথলজি ও বায়োপসি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. মো. গোলাম মোস্তফা, গাইনো অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. খুরশীদ জাহান মাওলা, গণবিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. হাসিন অনুপমা আজহারী, ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড রেডিয়েশন অনকোলজি কনসালট্যান্ট অসীম কুমার সেনগুপ্ত, অ্যাপোলো হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ফেরদৌস শাহরিয়ার সাঈদ, বিকন ফার্মাসিউটিক্যালসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মনজুরুল আলম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা