kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

মিরপুরে দুই নারীকে হত্যা

রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর মিরপুরের একটি বাড়িতে গৃহকর্মীসহ বৃদ্ধাকে হত্যার রহস্য গতকাল পর্যন্ত উদ্ঘাটন হয়নি। পুলিশ বলছে, কারা কী কারণে তাদের হত্যা করেছে, তা নিশ্চিত হতে সন্দেহভাজন ও নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের একটি বাড়ির চতুর্থ তলা থেকে গৃহকর্ত্রী রহিমা বেগম (৭০) ও গৃহকর্মী সুমির (১৭) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যালের মর্গে পাঠানো হয়। গতকাল বুধবার বিকেলে তাদের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল বিকেলে ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. কে এম মাঈনুদ্দিন জানান, দুজনকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে গৃহকর্মীকে গলা, নাক ও মুখ চেপে শ্বাস রোধ করা হয়েছে। আর বৃদ্ধাকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হলেও তাঁর মাথায়, কাঁধে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মৃত্যুর আগে সুমি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না তা জানার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্তের পর রহিমা বেগমের মেয়ে রাশিদা তাঁর মায়ের লাশ নিয়ে যান। গৃহকর্মী সুমির লাশ নিতে গতকাল বিকেল পর্যন্ত স্বজনদের কেউ আসেনি।

সূত্র জানায়, স্বামী-সন্তান ছাড়া বৃদ্ধা রহিমা বাড়িতে একাই থাকতেন। সেখানে সোহেল নামে তাঁর এক পালিত ছেলেসহ কিছু ব্যক্তি আসা-যাওয়া করত। সন্দেহভাজন হিসেবে মঙ্গলবার রাতে সোহেলকে আটক করে পুলিশ। সোহেলসহ স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। 

এদিকে এ ঘটনায় মিরপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সৈয়দ আক্তার হোসেন বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি তদন্তও করছেন তিনি। গতকাল বিকেলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘হত্যারহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হচ্ছে। নিহত রহিমার পালিত ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা