kalerkantho

শনিবার । ১৮ জানুয়ারি ২০২০। ৪ মাঘ ১৪২৬। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

গুজব ছড়ানোর দায় ফেসবুক-ইউটিউবকেও নিতে হবে

বিশেষ প্রতিনিধি   

২৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ গুজব বা বিভ্রান্তি ছড়ালে সেই মাধ্যমের কর্তৃপক্ষকেও জরিমানার আওতায় আনা হবে। যেমন দেশে ফেসবুকের মাধ্যমে কেউ গুজব বা বিভ্রান্তি ছড়ালে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করা হবে। ইউটিউবের ক্ষেত্রেও একই বিধান প্রযোজ্য হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮-এর বিধিমালায় এসংক্রান্ত নতুন বিধি সংযুক্ত হতে যাচ্ছে। জরিমানার পরিমাণ হতে পারে এক কোটি টাকা পর্যন্ত।

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্মুদ গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে ‘বিশ্ব টেলিভিশন দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, ‘উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়ালে সার্ভিস প্রভাইডারের বিরুদ্ধে জরিমানার বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে।’

বিষয়টি আরো পরিষ্কার করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জাব্বার গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিষয়টি ডিজিটাল নিরাপত্তা অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত। আমরা যখন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রস্তুত করি তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষয়টি হালকাভাবে নিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে তাতে দেশের নাগরিকদের বাক্স্বাধীনতায় প্রভাব ফেলবে। ডিজিটাল মিডিয়াকে সে জন্য তখন তেমন গুরুত্ব দিইনি। কিন্তু এখন বিষয়টি অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। ডিজিটাল মিডিয়ার মাধ্যমে গুজব বা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ভয়ংকর ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সংবাদপত্রে আপত্তিকর কিছু লেখা প্রকাশ হলে শুধু লেখককেই দায়ী করা হয় না, পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশককেও এর দায় নিতে হয়। অথচ ফেসবুক ও ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা শুধু যে লিখেছে তাকেই দায়ী করে তার লেখাটা সরিয়ে ফেলার জন্য ফেসবুক বা ইউটিউব কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করি, আর লেখককে শাস্তির আওতায় আনি। বিষয়টি নিয়ে আন্ত মন্ত্রণালয় বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সিঙ্গাপুর ও ফ্রান্সে গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য ফেসবুক বা ইউউিটউবের মতো ডিজিটাল মিডিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আইন হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা