kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির স্টার্টআপ অ্যাকসিলারেটর উদ্বোধনীতে পলক

সফল উদ্যোক্তারাই গড়বে ডিজিটাল বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২০ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তরুণদের শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ পলক। তিনি বলেছেন, একজন উদ্যোক্তা সফল হলে বহু কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সে জন্য সরকার প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ তৈরিতে সহায়তা দিচ্ছে। ২০২১ সালের মধ্যে এক হাজার সফল স্টার্টআপ তৈরিতে সরকার সহায়তা করবে। সফল উদ্যোক্তারাই গড়বে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্টার্টআপ অ্যাকসিলারেটর’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান কাজী জামিল আজহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউএস মার্কেট অ্যাকসেসের সিইও ক্রিস বারি। এ সময় আরো বক্তব্য দেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাইকেল প্যাট্রিক ফোলি এবং স্টার্টআপ অ্যাকসিলারেটর ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির উপদেষ্টা টিনা জাবীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, তরুণ উদ্যোক্তা পৃষ্ঠপোষক কার্যক্রমের (স্টার্টআপ অ্যাকসিলারেটর) মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশ এবং বহির্বিশ্বে উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক লালন ও তাদের সহায়তা করা। একই সঙ্গে এর মাধ্যমে পুরো ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী সব বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা ও পেশাদারের মধ্যে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক যোগাযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সহায়ক মঞ্চ সৃষ্টি করা।

অনুষ্ঠানে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় জুনাইদ আহেমদ পলক বলেন, ‘সফটওয়্যার, বিপিও খাত, ই-কমার্সসহ বিভিন্ন সরকারি সেবায় ১০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে আরো ১০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে।’ তিনি জানান, জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে সরকার এরই মধ্যে ৬০০টি সেবা ডিজিটাইজ করেছে। আগামী এক বছরের মধ্যে আরো ২০০ চালু করা হবে এবং ২০২৩ সালের মধ্যে দুই হাজার ৮০০ সরকারি সেবা অনলাইনে আনা সম্ভব হবে। 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা