kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

‘একেকটা লাশ আনতে খরচ ৩৫০০ ডলার’

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিদেশে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিদের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে মরদেহপ্রতি প্রায় সাড়ে তিন হাজার ডলার (প্রায় তিন লাখ টাকা) খরচ হয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। অভিবাসী শ্রমিকদের লাশ ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি বিদেশে তাঁদের বিপদের সময় ফিরিয়ে আনার কাজটি করে বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলো। পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিদেশে বাংলাদেশি কর্মীদের নিবন্ধন আবশ্যিক করা হচ্ছে। প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সঙ্গেও এ বিষয়ে আলাপ হয়েছে। যে কর্মীরা বিদেশ যাবেন তাঁদের অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে।

বিদেশে কর্মী পাঠানোর কর্মকাণ্ড মূলত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের হলেও সেখানে তাঁদের সমস্যায় বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর সমালোচনা হয়—সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দূতাবাসগুলোর লোকবল কম। এক কোটি ২২ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি আছে। ১৫ লাখের জন্য হয়তো ৫০ জন লোক আছে। এতে সহজেই সমস্যাটা বোঝা যায়।’

তিনি বলেন, ‘অন্য অনেক লোক এর সঙ্গে (বিদেশে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে) সম্পৃক্ত। কিন্তু সমস্যা হলে সব দোষ দূতাবাসের। যখনই ঝামেলায় পড়া যায়..।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পালিয়ে, অবৈধভাবে উনি বিদেশ গেলেন আদম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে। আমরা কোনো কিছুই জানি না। ওখানে গিয়ে ঝামেলায় পড়লে তখনই দূতাবাস।’

তিনি বলেন, ‘দূতাবাস তাত্ক্ষণিকভাবে এগিয়ে আসে। পয়সা খরচ করে তাদের ফেরত নিয়ে আসে। এতে সরকারেরও খরচ হচ্ছে। একেকটা লাশ আনতে ন্যূনতম সাড়ে তিন হাজার ডলার খরচ হয়। সরকার তাদের প্রতি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। যেহেতু তারা রেমিট্যান্স পাঠায়। আমরা প্রয়োজনে বৈধ অবৈধ সবাইকে নিয়ে আসি।’

সৌদি আরবে নারী শ্রমিকদের নির্যাতিত হওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবে দুই লাখ ৭০ হাজার বাংলাদেশি নারী কর্মী আছেন। আট হাজার নারী ফিরে এসেছেন। লাশ ফিরেছে ৫৩ জনের। তাঁদের মধ্যে কতজন আত্মহত্যা করেছেন তা সরকার জানে না। সৌদিতে নারীকর্মী পাঠানো বন্ধের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা