kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

উন্নয়ন মেলা উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

ক্ষুদ্রঋণে দারিদ্র্য লালন-পালন হয়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ক্ষুদ্রঋণে দারিদ্র্য লালন-পালন হয়

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের উন্নয়ন মেলা উদ্বোধন শেষে বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। ছবি : বাসস

দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কেউ কেউ এর প্রবক্তা হিসেবে নাম-যশ কামালেও বাস্তবতা হচ্ছে যে দেশের জনগণ এর অতটা সুফল পায়নি।

তিনি বলেন, ‘একসময় আমরা দেখেছি ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে (কর্মসূচি) কেউ কেউ খুব বাহবা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। একসময় আমরাও এটাকে সমর্থন দিয়েছিলাম, ভেবেছিলাম যে এর মাধ্যমে বুঝি মানুষ দারিদ্র্যসীমার ওপরে উঠতে পারবে। কিন্তু যখন আমরা বিষয়টা আরো গভীরভাবে দেখলাম, তাতে দেখলাম, আসলে এর মাধ্যমে দারিদ্র্য ঠিক বিমোচন হয় না। দারিদ্র্য লালন-পালন হয়।’

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) আয়োজিত ‘উন্নয়ন মেলা ২০১৯’ উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং পিকেএসএফের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সাত দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনের চেষ্টাকে ‘শান্তি স্থাপন’ বিবেচনা করে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংক এবং এর প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে।

সেদিকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্ষুদ্রঋণটা স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা শুরু করেছিলেন। যদিও আমাদের দেশে কেউ কেউ ক্ষুদ্রঋণের প্রবক্তা সেজে বিশ্বে ভালো নামটামও করে ফেলেছেন। কিন্তু দেখা গেছে হয়তো নিজে যতটা নাম কামিয়েছেন, দেশের মানুষ ততটা শুভফল পায়নি, এটা হলো বাস্তব।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সময় একটা প্রচেষ্টা নিয়েছি। দারিদ্র্য বিমোচন করতে হলে কী কী কাজ করা যায়, সেদিকে লক্ষ রেখে আমরা আমাদের কর্মপরিকল্পনা নিই। আমাদের মূল শত্রু হচ্ছে দারিদ্র্য।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা