kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পূর্বাচল প্রকল্পে পানি সরবরাহ করবে চীনা কম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে পানির চাহিদা পূরণে একটি চীনা কম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। প্রকল্প এলাকায় ১৬ লাখ মানুষের পানির চাহিদা পূরণে ১৫টি গভীর নলকূপ এবং ৩২০ কিলোমিটার পাইপলাইনে পানি সরবরাহ করবে এই কম্পানি। গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে রাজউক ও চীনা কম্পানি ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেডের মধ্যে পানি সরবরাহসংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

রাজউক সূত্র জানায়, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ প্রায় শেষ। এ ছাড়া সব কটি সেক্টরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৯০টির মতো বাড়ির নকশাও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরও স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু পানি সরবরাহের অভাবে এত দিন ভবন নির্মাণের গতি ছিল মন্থর। এই চুক্তির ফলে এখন প্রকল্পটিতে গতি আসবে বলে প্রত্যাশা রাজউকের। রাজউক চেয়ারম্যান ড. সুলতান আহমেদ এবং ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফিলিপ ওয়েই জিং ইউ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী প্রায় ১৬ লাখ মানুষের চাহিদামতো পানি সরবরাহ করবে ইউনাইটেড ডেলকট ওয়াটার লিমিটেড। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারির (পিপিপি) ভিত্তিতে কম্পানিটির সঙ্গে চুক্তি করে রাজউক। চলতি বছর পানি সরবরাহের কাজ শুরু হয়ে শেষ হবে ২০২৩ সালে। এ ছাড়া প্রকল্পটি পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণের সময়কাল ধরা হয়েছে ২০২০-৩৩ সাল। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে পূর্বাচল সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে যাবে। এই প্রকল্পটিতে আগ্রহ দেখানোর জন্য বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানাই। বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় ভালো।  শুধু এই প্রকল্প নয়, অন্য প্রকল্পেও বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই আমরা।’

ফিলিপ ওয়েই জিং ইউ বলেন, ‘এ দেশে আরো প্রকল্প তৈরিতে আমরা আগ্রহী। পূর্বাচলে সর্বোচ্চ প্রকৌশল সুবিধার মাধ্যমে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।’

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মো. শহীদ উল্লা খন্দকার প্রমুখ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা