kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা

জি কে শামীম ও খালেদ রিমান্ড শেষে কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জি কে শামীম ও খালেদ রিমান্ড শেষে কারাগারে

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীম ও খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ওরফে ক্যাসিনো খালেদকে অবৈধ সম্পদ অর্জনের দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ আলাদা আদেশে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ২৭ অক্টোবর এই দুজনকে সাত দিন করে রিমান্ডে (জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজত) নেওয়ার আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। এরপর তাঁদের রিমান্ডে নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল তাঁদের শেষ দিনের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করে আদালতে পাঠানো হয়। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে দুদক। অন্যদিকে দুজনের পক্ষেই জামিনের আবেদন করেন আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে ২২ অক্টোবর এই দুজনকে দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিল দুদক। একই সঙ্গে দুজনকে দুই মামলায় ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছিল। এর আগে ২০ অক্টোবর এই দুজনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। মামলায় জি কে শামীম ও তাঁর মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৯৭ কোটি আট লাখ ৯৯ হাজার টাকা এবং খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৫৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

জি কে শামীম ও তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন। একই দিন অনুসন্ধান কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এই দুজনই তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শামীম ২০১৮-১৯ করবর্ষ পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে আয়কর নথিতে ৪০ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৭৪৪ টাকার তথ্য উল্লেখ করলেও মোট টাকার বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি দুদক।

এ ছাড়া শামীমের বাসা থেকে উদ্ধার করা নগদ এক কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার টাকা, সাত লাখ ৪৭ হাজার টাকার বিদেশি মুদ্রা, শামীম ও তাঁর মায়ের নামে ১৬৫ কোটি ২৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকার এফডিআর, মায়ের নামে আরো ৪৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার টাকার ব্যবসার অংশীদারি এবং জিকেবি অ্যান্ড কম্পানির শেয়ার, গাড়ি ও এফডিআর বাবদ ৩৬ কোটি ৩৫ লাখ ১৮ হাজার ৭১৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস পায়নি দুদক।

খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁর চার কোটি ৫০ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৯০ লাখ ১৬ হাজার ৭০৯ টাকার অস্থাবর সম্পদের বৈধ উৎস মেলেনি। এ ছাড়া গত ১৮ সেপ্টেম্বর র‌্যাবের অভিযানে তাঁর বাসা থেকে ১৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকার বিদেশি মুদ্রা জব্দ করা হয়। এর কোনো উৎস দেখাতে পারেননি খালেদ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা