kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

ভারপ্রাপ্তে ‘ভারাক্রান্ত’ খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়

খুলনার ১০ জেলার ৯টিতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

খুলনা অফিস   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারপ্রাপ্ত ও চলতি দায়িত্বের কর্মকর্তা দিয়ে চলছে খুলনা বিভাগের ৯ জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়। অভিযোগ রয়েছে, আঞ্চলিক দপ্তরের নানা অনিয়ম ও ‘চাহিদা মেটানোর ভয়ে’ এসব পদে কোনো ক্যাডার থাকতে চান না। এ ছাড়া ‘বদলি বাণিজ্য’ এবং চাঁদা আদায়ের ঘটনাও আছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই বিভাগের অধীনে থাকা ১০ জেলায় মোট ১৩টি ক্যাডার কর্মকর্তার পদ রয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণের দপ্তরে একমাত্র ক্যাডার কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।

বিভাগীয় খাদ্য দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই বিভাগের যশোর, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, নড়াইল, কুষ্টিয়ায় জেলা খাদ্য কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয় সদর উপজেলার কর্মকর্তারা। আবার চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরের কর্মকর্তারা রয়েছেন

 অতিরিক্ত দায়িত্বে।

নাম প্রকাশ না করে খাদ্য দপ্তরে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, খুলনা বিভাগের খাদ্য দপ্তরে কাজ করার পরিবেশ নেই। বিভাগীয় কর্মকর্তাদের চাহিদা মেটাতে মেটাতে জেলার দায়িত্বপ্রাপ্তদের হিমশিম খেতে হয়। প্রায় প্রতি মাসেই কোনো না কোনো প্রগ্রাম করেন আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা। এসব কর্মসূচিতে অংশ না নিলেও মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হয় অধস্তনদের। ক্যাডার কর্মকর্তারা কোনোভাবে এসব কাজে মানাতে না পারায় এখানে থাকতে চান না। এ কারণে বিভাগের এ ধরনের পদে একজন মাত্র ক্যাডার কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন। আর সুযোগটি ব্যবহার করছেন অসাধু কর্মকর্তারা। তাঁরা মোটা অঙ্কের বিনিময়ে উপজেলা কর্মকর্তা পদের হয়েও জেলা পদে দায়িত্ব নিচ্ছেন। আবার খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের গুদামের আবাসিক এলাকায় থাকার বিধান থাকলেও তাঁরা তা মানছেন না।

বিভাগের একটি জেলায় দায়িত্ব পালন করা সাবেক এক ক্যাডার নাম প্রকাশ না করে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘খুলনায় কাজ করার পরিবেশ নেই। বিসিএস করে, সরকারি কর্মকর্তা হয়ে কারো অন্যায় আবদার মানা সম্ভব নয়।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা