kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

র‌্যাগিং-চাঁদাবাজি মুখ বুজে সইতে হয় শিক্ষার্থীদের

ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ   

১৯ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ময়মনসিংহ নগরে কারিগরি শিক্ষার প্রধান পীঠস্থান ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিন ধরে এক অনিরাপদ ও অস্বস্তিকর পরিবেশে থাকতে হচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানের মেসে থাকা শিক্ষার্থীরা স্থানীয়দের চাঁদাবাজি ও নানামুখী উৎপাতের শিকার হচ্ছেন। আবার প্রতিষ্ঠানের হলে থাকা নবীন শিক্ষার্থীদের অনেকে সিনিয়র বা বড় ভাইদের র‌্যাগিংয়ের শিকার হচ্ছেন অহরহ। চাঁদাবাজি, র‌্যাগিংয়ের এসব বিষয় নিয়ে ভয় আর আতঙ্কে তটস্থ থাকেন প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থী—তাই এসবের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন না কেউ। সম্প্রতি দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তার ধারাবাহিকতায় এ প্রতিষ্ঠান এবং এর আশপাশের এলাকায়ও তেমনি প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জানা গেছে, প্রধানত এখানে দুইভাবে শিক্ষার্থীরা বিড়ম্বনায় পড়েন। প্রতিষ্ঠানের আওতায় ছেলেদের জন্য দুটি ছাত্রাবাসের মধ্যে শহীদ খায়রুল ছাত্রাবাসে প্রায় দুই শ শিক্ষার্থী অবস্থান করতে পারেন। আরেকটি হলো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ছাত্রাবাস, যেখানে ১১০ জনের সিট রয়েছে। কিন্তু ইনস্টিটিউটের নিজস্ব এই ছাত্রাবাস দুটো নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য মোটেই নিরাপদ নয়। বহু বছর ধরে নবীন শিক্ষার্থীদের ওপর র‌্যাগিংয়ের নামে অসহনীয় নির্যাতনের ঘটনা ঘটে চলেছে বলে অভিযোগ আছে। এ অভিযোগ মূলত একই প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া এসব ছাত্রাবাসে বহিরাগতদেরও অবাধ যাতায়াত আছে। বহিরাগতরা অনেক সময় ছাত্রাবাসে প্রবেশ করে দাপটও দেখায়। জোর করে ছাত্রদের রুম ব্যবহার করে। কিন্তু এদের বিরুদ্ধে কথা বলারও কেউ সাহস পান না।

এ ছাড়া বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানের আশপাশে বাসা ভাড়া করে মেসে থাকেন। তাঁদেরও চাঁদাবাজিসহ নানামুখী সমস্যা চোখ বুজে হজম করেই সেখানে বসবাস করতে হয়।

প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী সৈয়দ ফারুক আহমদ বলেন, ‘আমি এ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলাম। এখানে কী কী সমস্যা আছে তা আমি জানি।’ তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর সেসব সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে জানান অধ্যক্ষ ফারুক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা