kalerkantho

শনিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৭। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১ সফর ১৪৪২

গ্রামীণফোনের কাছ থেকে পাওনা অর্থ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গ্রামীণফোনের কাছে ১২ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা দাবি করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দেওয়া চিঠির কার্যকারিতার ওপর দুই মাসের অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে গ্রামীণফোনের আবেদনের ওপর আগামী ৫ নভেম্বর শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। গ্রামীণফোনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেওয়া হয়। ফলে ৫ নভেম্বরের মধ্যে ওই অর্থ আদায় করা যাবে না বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। আদালতে গ্রামীণফোনের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন, শরীফ ভূঁইয়া ও তানিম হোসেইন শাওন। বিটিআরসির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম।

প্রায় ২৭টি খাতে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা দাবি (নিরীক্ষা আপত্তির দাবি) করে গ্রামীণফোনকে গত ২ এপ্রিল চিঠি দিয়েছিল বিটিআরসি। ওই চিঠির বিরুদ্ধে ঢাকার নিম্ন আদালতে মামলা করে গ্রামীণফোন। মামলায় অর্থ আদায়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। গত ২৮ আগস্ট নিম্ন আদালত অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দেন। ওই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে গ্রামীণফোন। আপিলটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

গ্রামীণফোন লিমিটেডের হেড অব রেগুলেটরি এবং অ্যাক্টিং হেড অব কমিউনিকেশনস হোসেন সাদাত এ বিষয়ে বলেছেন, ‘বিটিআরসির বিরোধপূর্ণ অডিট দাবিটির বিপরীতে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ সমাধানের বিষয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতিটি আমরা পুনর্ব্যক্ত করতে চাই। বিটিআরসি কর্তৃক গ্রামীণফোনের ওপর আরোপিত বিরোধপূর্ণ অডিট দাবিটির পাওনা আদায়ে বিটিআরসির যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর স্থিতাবস্থা প্রদান করেছেন মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগ। যেকোনো ধরনের সরঞ্জাম ও সফটওয়্যার আমদানিতে এবং নতুন সেবা ও প্যাকেজ ঘোষণার ক্ষেত্রে অনাপত্তিপত্র প্রদান স্থগিতসহ অনুমোদন প্রদানের নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বিটিআরসির দেওয়া চিঠিটির ওপরও স্থিতাবস্থা প্রদান করেছেন মাননীয় আদালত।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা