kalerkantho

শুক্রবার । ২২ নভেম্বর ২০১৯। ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রোগীদের ভোগান্তি

খুলনায় চিকিৎসকদের দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি

খুলনা অফিস   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুলনায় রোগী মারা যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসককে মারধরের প্রতিবাদে দুই ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করেছেন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক ও মালিকরা। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ প্রাইভেট প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমপিএ) ও বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএইচসিডিওএ) এ কর্মসূচির আয়োজন করে। 

গতকাল সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কর্মবিরতি চললেও দিনভর রোগীদের নানা বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। এ ছাড়া ঘটনার বিচার দাবি করে গতকাল দুপুরে নগরীর সাতরাস্তা মোড়ের বিএমএ ভবনের সামনে সমাবেশের আয়োজন করেন চিকিৎসকরা। বিএমএ খুলনার সাধারণ সম্পাদক ডা. মেহেদী নেওয়াজ, ডা. গাজী মিজানুর রহমান, ডা. শওকত লস্কর, ডা. বঙ্গকমল বসু প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য দেন। পরে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

গত শনিবার গভীর রাতে নগরীর খালিশপুর ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র রিপন সিকদারের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সুজাউদ্দিন সোহাগকে মারধর করে তাঁর স্বজনরা। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একপর্যায়ে ডা. সুজাউদ্দিনকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ধরে নিয়ে যান তাঁরা। সেখান থেকে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ কায়েস ও কৌশিক নামের দুজনকে আটক করেছে।

আন্দোলনরত চিকিৎসকদের দাবি, চিকিৎসকের অবহেলায় নয়, অতিরিক্ত মাদকের কারণে হার্ট অ্যাটাকে রিপন সিকদারের মৃত্যু হয়েছে। অবিলম্বে এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

এদিকে আন্দোলন চলাকালীন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আউটডোরে টিকিট প্রদান ও চিকিৎসাসেবা বন্ধ ছিল। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতেও চিকিৎসাসেবা বন্ধ ছিল। ফলে ভোগান্তিতে পড়ে রোগীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা