kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯ উঠছে মন্ত্রিসভায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি ২০১৯’ আজ সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠছে বলে আশা করা হচ্ছে। বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে ১০৪ উপজেলায় প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুল ফিডিং চালু আছে। আমরা সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই স্কুল ফিডিং চালু করতে চাই। এ জন্য অংশীজনদের মতামত ও একাধিক কর্মশালার মাধ্যমে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় তা পাস হলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব।’

নীতিমালার খসড়ায় বলা হয়েছে, একটি শিশুর প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় শক্তি চাহিদার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্কুল মিল থেকে আসা নিশ্চিত করা হবে। প্রতিদিনের খাবারে বৈচিত্র্য আনতে পুষ্টি চাল, ডাল, পুষ্টি তেল, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন মৌসুমি তাজা সবজি, ফল এবং সম্ভাব্য ক্ষেত্রে ডিম দিয়ে খাবার তৈরি করা হবে। অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে পরামর্শ করে খাবারের মেন্যু ঠিক করা হবে। প্রাথমিকের সব শিশুর জন্য স্কুল মিলে বছরে প্রয়োজন হবে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা।

জানা যায়, স্কুল ফিডিং হিসেবে এত দিন রান্না করা গরম খাবারের কথা ভাবা হলেও এখন বিকল্প হিসেবে ডিম, কলা, পাউরুটি ও বিস্কুটের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। মূলত রান্না করার নানা ঝামেলা থেকে মুক্ত হতেই এই বিকল্প প্রস্তাবের কথা চিন্তা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে নীতিমালা পাস হওয়ার পর এ ব্যাপারগুলো মন্ত্রণালয় ঠিক করবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘সব জায়গায় রান্না করা খাবারের প্রস্তুতি এখনো আমাদের নেই। তাই শুকনা খাবারের কথাও আমরা ভাবছি। কিন্তু কোনো একসময় আমাদের রান্না করা খাবারে যেতে হবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা